খাদ্য নিরাপত্তা সম্মেলনে পরিকল্পনা মন্ত্রী

২০৩০ সালে দেশ ক্ষুধামুক্ত হবে

 

সিএইচটি-অবজারভার.কম : সোমবার ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৫ :
সূত্র: যুগান্তর :

বিশ্বব্যাপী খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে নীতিনির্ধারণ ও কর্মপন্থা ঠিক করতে রাজধানী ঢাকায় শুরু হয়েছে পাঁচ দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন। সোনারগাঁও হোটেলে এই সম্মেলন চলবে আগামী ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। সম্মেলনে দেশি-বিদেশি খাদ্য ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করবেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে গতকাল রবিবার বিকেলে এই সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট এবং জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ সম্মেলনে বাংলাদেশ, কানাডা, নরওয়ে, সুইডেন, নিউজিল্যান্ড, আইভরি কোস্ট, উগান্ডাসহ বিশ্বের ১০টি দেশের খাদ্য ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞরা অংশ নিচ্ছেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বের দুই বিলিয়ন মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে। গত ১৬ বছরে আমরা দারিদ্র্যসীমাকে ৩৬ শতাংশ থেকে ২৩ শতাংশে নামিয়ে আনতে পেরেছি। ২০২০ সালের মধ্যে তা ১০ শতাংশ ও ২০৩০ সালের মধ্যে ক্ষুধামুক্ত দেশ গড়ার পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের।’ তিনি বলেন, ‘শুধু খাদ্য খেলেই হবে না, খাদ্যের পুষ্টিমান নিশ্চিত করতে হবে। নানা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও আমরা নিরাপদ খাদ্য আইন করেছি। খাদ্য নিরাপত্তার নীতিমালা করে সমন্বিত কাজের মাধ্যমে এগিয়ে যাচ্ছি।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের সভাপতিত্বে সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, জাতিসংঘ খাদ্য ও কৃষি সংস্থার বাংলাদেশ প্রতিনিধি মাইক রবসন, সংস্থার ফুড সেফটি অফিসার মেরি কেনি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক নাজমা শাহীন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে নিরাপদ খাদ্য বিশ্বব্যাপী গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশাল কর্মযজ্ঞ হাতে নেওয়া হয়েছে। শুধু খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মধ্যেই এটাকে সীমাবদ্ধ রাখা হয়নি। ১৭টি মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত কার্যক্রমে দেশকে পুরোপুরি ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত করার লক্ষ্যে কাজ চলছে।

খবরটি শেয়ার করুন

Post Comment