প্রতিদিন ৫ খাবারে মেদভুঁড়ি উধাও!

images১. ডিম : ওজন কমানো এবং নিয়ন্ত্রণে ডিম এমন একটি খাবার যা প্রতিদিন খাওয়া উচিত। প্রোটিন সরবরাহ ছাড়াও ডিম দেহের বিপাকক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে। আপনার দেহে যদি কোলেসটেরলের মাত্রা বেশি থাকে, তবে শুধু ডিমের সাদা অংশ খাবেন। কুসুম খাবেন না। ডিমের সাদা অংশে খাঁটি প্রোটিন থাকে।

২. ওটমিল : কখনো ভেবেছেন যে প্রায় সময়ই মিষ্টি খাবার খেতে ইচ্ছা করে কেন? বিশেষ করে সকালে চিনির নেশা পেয়ে যায়। এ থেকে মুক্তি পেতে ওটমিল বেছে নিন। এটা ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার। এই শস্যদানা দারুণ স্বাস্থ্যকর এবং তৃপ্তিদায়ক। বহু সময় ধরে পাকস্থলীতে অবস্থান করে ওট। কার্বোহাইড্রেটের উন্নত উৎস, যা মেদ কমাতে সহায়তা করে।

৩. সবুজ বিন : পেটের মেদ ঝরাতে প্রতিদিন শিম বা মটরশুঁটির মতো বিচি জাতীয় সবজি খাওয়ার সুযোগ হেলায় হারাবেন না। এগুলো দেহে আদর্শ পরিমাণ ক্যালোরি প্রদান করে। ফাইবার ও প্রোটিনের বাড়তি যোগ রয়েছে এতে। তরকারি ছাড়াও সালাদে অনায়াসে ব্যবহার করতে পারেন। সবুজ বিনের ফাইবার রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। দেহের বিষাক্ত উপাদান তাড়াতেও ওস্তাদ এরা।

৪. বাদাম : তিন বেলা খাবারের মাঝখানে ক্ষুধা অনুভব করলে বাদাম বেছে নিন। চিপস, চকোলেট বা ফাস্ট ফুডের মতো জাংক ফুড থেকে দূরে থাকুন। কাজু বাদামের একটি প্যাকেটই যথেষ্ট। দারুণ স্বাদের বাদামে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড রয়েছে। এতে ক্যালোরি অনেক কম। তবে লবণ ছাড়া বাদাম খাবেন। কারণ লবণ রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়।

৫. বেরি : ফাইবার ও এন্টিঅক্সিডেন্টের এক বিস্ময়কর সমন্বয় ঘটেছে বেরিতে। স্ট্রবেরি বা ব্লুবেরির মতো ফলের এন্টিঅক্সিডেন্ট এক ধরনের এনজাইমের কার্যক্ষমতা নষ্ট করে। দেহের এই এনজাইম স্টার্চকে ভেঙে চিনিতে রূপান্তরিত করে। তাই বেরি দেহে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণসহ ইনসুলিনের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে। এতে পেটে মেদ জমে না। কারণ ইনসুলিন ফ্যাট সেলের অতিরিক্ত চিনি দূর করে।

-হিন্দুস্তান টাইমস

খবরটি শেয়ার করুন

Post Comment