চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল মন্ত্রিসভায় অনুমোদন

সিএইচটি-অবজারভার.কম: বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫ :
চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল মন্ত্রিসভায় অনুমোদন
সরকার চীনা বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি অর্থনৈতিক ও শিল্পাঞ্চল প্রতিষ্ঠা করতে যাচ্ছে। এখানে চীনা কোম্পানিগুলোকে আকৃষ্ট করার জন্য একটি অনুকূল বাণিজ্য পরিবেশ এবং স্থানীয়দের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। আনোয়ারা দ্বিতীয় অর্থনৈতিক জোনের উন্নয়নে ভূমি অধিগ্রহণের জন্য একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য ৪২০ কোটি টাকা লাগবে। বেপজা ২০১৬ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত চলতি অর্থবছরে একনেকের ৭ম বৈঠকে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি প্রকল্পগুলো অনুমোদন করে।
বৈঠক শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সাংবাদিকদের বলেন, একনেক ৫,০৩৯ কোটি টাকার ব্যয়ে অর্থনৈতিক জোন প্রতিষ্ঠাসহ মোট সাতটি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে।
তিনি বলেন, মোট প্রকল্প ব্যয়ের মধ্যে সরকার জাতীয় কোষাগার থেকে দেবে ২,৯১৬ কোটি টাকা। বাকি ২,১২৩ কোটি টাকা প্রকল্প সহায়তা হিসেবে পাওয়া যাবে।
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, প্রকল্পগুলোর মধ্যে পাঁচটি নতুন এবং দু’টি প্রকল্প সংশোধিত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত বছরের ৬ থেকে ১১ জুন পর্যন্ত চীনে তাঁর সফরকালে একটি শিল্প জোন প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দেয়ার পর চীনের ব্যবসায়ীদের জন্য একটি বিশেষ ইকোনোমিক ও শিল্প জোন প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া শুরু হয়। বেপজা বিদায়ী বছরের শেষ নাগাদ চীনের বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এ ব্যাপারে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে।
চীনের সঙ্গে স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুযায়ী, দীর্ঘমেয়াদি লিজ ভিত্তিতে বাংলাদেশ চীনের বিনিয়োগকারীদেরকে জমি দেবে এবং চীন মনোনীত কোনো কোম্পানি ইকোনোমিক জোন প্রতিষ্ঠা করবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশির জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। একনেক সভায় ৩৬৬ কোটি টাকা ব্যয় সাপেক্ষ বৃহত্তম চট্টগ্রাম জেলা পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর ২০১৯ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।
চট্টগ্রাম জেলার ১৪টি উপজেলা এবং কক্সবাজার জেলার আটটি উপজেলা নিয়ে এই প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। সভায় ১১৮.৭৩ কোটি টাকা ব্যয় সাপেক্ষ ডাবল লিফটিং টেকনোলজির (তৃতীয় পর্যায়) মাধ্যমে ভূ-পৃষ্ঠের পানি ব্যবহার করে সেচ সুবিধা বৃদ্ধি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়। বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) ২০২০ সালের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।

খবর বাসসের।

খবরটি শেয়ার করুন

Post Comment