পিসিপি ও যুব সমিতির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

আগামী ৭ অক্টোবর তিন পার্বত্য জেলায় ছাত্র ধর্মঘট

সিএইচটি-অবজারভার.কম: বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৫ :

PCP Pic-1শিক্ষক নিয়োগসহ পার্বত্য জেলা পরিষদের সকল দুর্নীতির বিরুদ্ধে এবং মেডিকেল কলেজ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের সকল কার্যক্রম স্থগিতের দাবিতে আজ ৩০ সেপ্টেম্বর বুধবার সকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ (পিসিপি) ও পার্বত্য চট্টগ্রাম যুব সমিতি রাঙ্গামাটিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে। সমাবেশ শেষে প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে স্মারকলিপিও প্রদান করেছেন তারা।

সমাবেশ থেকে পিসিপি-র নেতৃবৃন্দ পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নের দাবিতে চলমান অসহযোগ আন্দোলনের অংশ হিসেবে আগামী ৭ অক্টোবর তিন পার্বত্য জেলায় ছাত্র ধর্মঘট কর্মসূচি পালনের ঘোষণা করেছেন।

সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের রাজনৈতিক সমস্যা শান্তিপূর্ণভাবে সমাধানের লক্ষ্যে ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও দীর্ঘ ১৮ বছরেও চুক্তির মৌলিক বিষয়গুলো বাস্তবায়িত না হওয়ায় যে কোন মূহুর্তে ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটতে পারে এবং অশান্ত হয়ে উঠতে পারে পার্বত্য চট্টগ্রাম।

পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ (পিসিপি) ও পার্বত্য চট্টগ্রাম যুব সমিতি রাঙ্গামাটি শাখার উদ্যোগে জেলা প্রশাসন কার্যালয় চত্বরে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক পলাশ তঞ্চঙ্গ্যা। পার্বত্য চট্টগ্রাম যুব সমিতি জেলা শাখার সভাপতি টোয়েন চাকমার সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন পিসিপি-র কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি বাচ্চু চাকমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম মহিলা সমিতির সাধারণ সম্পাদক সুপ্রভা চাকমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির জেলা কমিটির ছাত্র ও যুব বিষয়ক সম্পাদক ত্রিজিনাদ চাকমা ও হিল উইমেন্স ফেডারেশন রাঙ্গামাটি কলেজ শাখার সভাপতি আশিকা চাকমা প্রমুখ।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন পার্বত্য চট্টগ্রাম যুব সমিতির জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অরুন ত্রিপুরা। স্মারকলিপি পাঠ করেন পিসিপি-র জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক রিন্টু চাকমা। সমাবেশ শেষে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নের দাবিতে চলমান অসহযোগ আন্দোলনের অংশ হিসেবে আগামী ৭ অক্টোবর তিন পার্বত্য জেলায় পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের পক্ষ থেকে ছাত্র ধর্মঘট কর্মসূচী ঘোষণা করা হয়।

এর আগে একটি বিক্ষোভ-মিছিল জন সংহতি সমিতির জেলা কার্যালয় থেকে শুরু করে বনরূপা থেকে ঘুরে গিয়ে জেলা প্রশাসন কার্যালয় প্রাঙ্গনে গিয়ে শেষ হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পলাশ তঞ্চঙ্গ্যা পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নের বিকল্প নেই উল্লেখ করে বলেন, জনগণের প্রবল বিরোধিতা সত্ত্বেও সরকার পুলিশ ও সেনাবহিনী প্রহরায় রাঙ্গামাটিতে মেডিকেল কলেজ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে এবং ভূমি অধিগ্রহণ করে জুম্মদের স্বভূমি থেকে উচ্ছেদের ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। তাই সামগ্রিক স্বার্থে চুক্তি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত এই দুটি প্রতিষ্ঠান স্থগিত রাখার জন্য তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

পিসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি বাচ্চু চাকমা বলেন, পার্বত্য চুক্তির ফলে যে জেলা পরিষদ পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণ পেয়েছে, চুক্তি বাস্তবায়ন না হওয়ায় জেলা পরিষদগুলো দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে। আজ সেখানে গণতন্ত্র চলে না, চলে আওয়ামী লীগতন্ত্র। তিনি আরও বলেন, শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার মান বেহাল অবস্থায় উপনীত হয়েছে।

পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়নের দাবীতে আগামী ৭অক্টোবর তিন

পার্বত্য জেলায় ছাত্র ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে পিসিপি

বুধবার রাঙামাটিতে বিক্ষোভ-সমাবেশে ও প্রধানমন্ত্রীর বরাবর স্মারকলিপি প্রদান

করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ(পিসিপি) ও পার্বত্য চট্টগ্রাম

যুব সমিতি। শিক্ষক নিয়োগসহ পার্বত্য জেলা পরিষদের সকল দূর্নীতি বন্ধে এবং

মেডিকেল কলেজ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের সকল কার্যক্রম স্থগিতের

দাবীতে এ বিক্ষোভ-সমাবেশে করা হয়। সমাবেশ থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি

বাস্তবায়নের দাবীতে অসহযোগ আন্দোলনের প্রক্রিয়ায় অংশ হিসেবে আগামী

৭অক্টোবর তিন পার্বত্য জেলায় ছাত্র ধর্মঘট কর্মসূচী ঘোষনা করা হয়।

পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ(পিসিপি) ও পার্বত্য চট্টগ্রাম যুব

সমিতি রাঙামাটি শাখার উদ্যোগে জেলা প্রশাসন কার্যালয় চত্বরে অনুষ্ঠিত

সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি

কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক পলাশ তঞ্চঙ্গ্যা। পার্বত্য চট্টগ্রাম

যুব সমিতি জেলা শাখার সভাপতি টোয়েন চাকমার সভাপতিত্বে অন্যান্যর মধ্যে

বক্তব্যে রাখেন পিসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি বাচ্চু চাকমা, পার্বত্য

চট্টগ্রাম মহিলা সমিতির সাধারন সম্পাদক সুপ্রভা চাকমা, পার্বত্য

চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির জেলা কমিটির ছাত্র ও যুব বিষয়ক সম্পাদক

ত্রিজিনাদ চাকমা ও হিল উইমেন্স ফেডারেশন রাঙামাটি কলেজ শাখার সভাপতি

আশিকা চাকমা প্রমূখ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন পার্বত্য চট্টগ্রাম যুব সমিতির

জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অরুন ত্রিপুরা। স্মারকলিপি পাঠ করেন

পিসিপিরজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক রিন্টু চাকমা। সমাবেশ শেষে জেলা

প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। এর আগে

একটি বিক্ষোভ-মিছিল জনসংহতি সমিতির জেলা কার্যালয় থেকে শুরু করে

বনরুপা চত্বর ঘুরে গিয়ে জেলা প্রশাসন কার্যালয় চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, পার্বত্য চুক্তি ১৮ বছরেও চুক্তির মৌলিক বিষয়গুলো

বাস্তবায়িত না যে কোন মূহুর্তে বিষ্ফোরণ হয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম অশান্ত হয়ে

উঠতে পারে। পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়িত না হওয়ায় পার্বত্য জেলা পরিষদগুলো

দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে। জেলা পরিষদগুলোর শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি ও

অনিয়মের কারনে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার মান বেহাল অবস্থায় উপনীত হয়েছে।

বিভিন্নক্ষেত্রে দলীয় করন, কায়েমী স্বার্থবাদী দৃষ্টিভঙ্গি, স্বচ্চতা ও জবাবদিহীতার

অভাবে জনগনের এ প্রতিষ্ঠান আজ গণবিরোধী প্রতিষ্ঠানে পরিনত হয়েছে। বক্তারা

পার্বত্য দুটি প্রতিষ্ঠান স্থগিতের দাবীতে বলেন, জনগনের প্রবল বিরোধীতা
চধমব ২ ড়ভ ২

সত্ত্বেও সরকার পুলিশ ও সেনাবহিনী প্রহরায় রাঙামাটি মেডিকেল কলেজ, বিজ্ঞান

ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

খবরটি শেয়ার করুন

Post Comment