দশদিগন্তে

ব্রিটেনে মাদ্রাসা-শিক্ষা সম্পর্কিত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রসঙ্গে—

সিএইচটি-অবজারভার.কম : রোববার ১১ অক্টোবর ২০১৫ :

 

ব্রিটেনে মাদ্রাসা-শিক্ষা সম্পর্কিতব্যবস্থা গ্রহণ প্রসঙ্গে—
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী –
বাংলাদেশে যখন তথাকথিত ইসলামী জঙ্গি গোষ্ঠী দমনে হাসিনা সরকার কঠোর তত্পরতায় লিপ্ত, তখন ব্রিটেনে ক্যামেরন সরকার ধর্মীয় জঙ্গিবাদের উত্স হিসেবে ব্যবহৃত মাদ্রাসাগুলো সম্পর্কে ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছেন। শুধু মাদ্রাসা নয়, অন্যান্য ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেমন খ্রিস্টান সানডে স্কুল, ইহুদি স্কুলগুলোকেও সরকারের নজরদারির আওতায় আনা হবে। ম্যানচেস্টারে অনুষ্ঠিত কনজারভেটিব পার্টির অধিবেশনে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন ব্রিটেনের বিভিন্ন ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান—বিশেষ করে মাদ্রাসা শিক্ষায় জঙ্গিবাদের অনুপ্রবেশে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, “যে সকল মাদ্রাসা শিক্ষার মাধ্যমে শিশুদের অসহিষ্ণু আচরণে উত্সাহিত করে, তদন্তের মাধ্যমে চিহ্নিত করে সেগুলো বন্ধ করে দেয়া হবে।”
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণাকে কোনো কোনো মহল মাদ্রাসা শিক্ষার বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে যাচ্ছেন বলে প্রচার করতে চাইলেও শান্তিপ্রিয় ধার্মিক মুসলমানেরাও এই ঘোষণাকে ‘স্বাগত’ জানিয়েছেন। অনেকে বলেছেন, বিলম্বে হলেও ব্রিটিশ সরকারের এই শুভ বুদ্ধির উদয় এবং এই জঙ্গি সৃষ্টির উত্সমূলে হাত দেয়া আশাব্যঞ্জক। যেসব মাদ্রাসাকে ধর্মীয় শিক্ষার প্রতিষ্ঠানে নয়, জঙ্গি সৃষ্টির কারখানায় পরিণত করা হয়েছে, সেগুলোর বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার।
ম্যানচেস্টারে টোরি সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী ক্যামেরন বলেছেন, “রিলিজিয়াস সাপ্লিমেন্টারি স্কুলের মাধ্যমে শিশুদের ধর্মীয় শিক্ষাদানের বিষয়ে আমাদের আপত্তি নেই; কিন্তু এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মনমানসিকতা যাতে বিদ্বেষপূর্ণ করে তোলা না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।” তিনি সম্মেলনের শ্রোতাদের উদ্দেশে বলেছেন, “আপনারা কি জানেন আমাদের দেশের অনেক শিশুই কয়েক ঘণ্টা মাদ্রাসায় কাটায়? আমি পরিষ্কার করে বলছি, শিশুরা তাদের ধর্ম সম্পর্কে জ্ঞানলাভ করবে তাতে কোনো সমস্যা নেই; কিন্তু কোনো কোনো মাদ্রাসায় শিশুদের অন্য ধর্মের মানুষের সঙ্গে মিশতে বাধা দেয়া হচ্ছে। তাদের শারীরিক শাস্তির ব্যবস্থা রয়েছে। অন্য ধর্মাবলম্বী- বিশেষ করে ইহুদিদের সম্পর্কে ষড়যন্ত্রের তথ্য শেখানো হচ্ছে। এটা মেনে নেয়া যায় না। যে সকল প্রতিষ্ঠান শিশুদের অসহিষ্ণুতা শিক্ষা দেয় তা বন্ধ করে দেয়া হবে।”
প্রধানমন্ত্রী ক্যামেরনের এই বক্তব্যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মুসলিম কাউন্সিল অব ব্রিটেন। এই কাউন্সিলে জেহাদিস্টদের প্রতি সহানুভূতিশীলদেরও অনুপ্রবেশ ঘটেছে কিনা আমি জানি না। নইলে তারা দেখতেন, ক্যামেরন ব্রিটেনে মাদ্রাসা-শিক্ষা সম্পর্কে কোনো আপত্তি তোলেননি। তিনি যেসব মাদ্রাসা ও ধর্মীয় শিক্ষা প তিষ্ঠানে অসহিষ্ণুতা শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে, তদন্তপূর্বক সেগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলেছেন। মুসলিম কাউন্সিল অব ব্রিটেনের উচিত আগে ডেভিড ক্যামেরনের অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখা। সেগুলো সঠিক হলে কাউন্সিলেরই উচিত, ব্রিটেনের মাদ্রাসগুলোকে জঙ্গি সৃষ্টির কারখানায় যাতে পরিণত করা না যায়, তার বলিষ্ঠ ব্যবস্থা গ্রহণ করা। তা না করে তারা বাংলাদেশের জামায়াতসহ জঙ্গিবাদী গোষ্ঠীগুলোর মতো “মাদ্রাসা শিক্ষা গেল গেল” বলে চিত্কার জুড়েছেন, বাংলাদেশে এভাবে মাদ্রাসা শিক্ষা সংস্কারে সরকারের যে কোনো প্রচেষ্টায় বাধা দেওয়া হয়। বাংলাদেশে তাই কওমি ও খারেজি মাদ্রাসা নামে একশ্রেণির মাদ্রাসার সংখ্যা হু হু করে বাড়ছে। যার অনেকগুলোর পঠন-পাঠনে ও ধর্মীয় শিক্ষাদানের নামে কার্যক্রমে জঙ্গিবাদকে উত্সাহ দেওয়া হয়।
ব্রিটেনেও (ইউরোপের অন্যান্য দেশেও) মাদ্রাসার সংখ্যা হু হু করে বাড়ছে। ব্রিটেনে এর সংখ্যা এখন দু’হাজারের বেশি। এসব মাদ্রাসায় শিক্ষাদানের বিষয় ও শিক্ষাদানের কার্যক্রম নিয়ে ব্রিটিশ সরকারের উদ্বেগ বেড়েছে। ব্রিটেনে রিলিজিয়াস সাপ্লিমেন্টারি স্কুল বা ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরকারের শিক্ষা কর্তৃপক্ষের কাছে রেজিস্ট্রেশন করার দরকার পড়ে না। এসব প্রতিষ্ঠানে এডুকেশন অথরিটির পক্ষ থেকে কোনো প্রকার ইনস্পেকশনও পরিচালনা করা হয় না।
তার সুযোগ নিয়ে ধর্মীয় শিক্ষাদানের নামে অগুনতি মাদ্রাসা স্থাপন করে তার অনেকগুলোতে ধর্ম নয়, উগ্র ধর্মীয় রাজনৈতিক বিষয় শিক্ষাদান শুরু হয়। অনেক উগ্র মৌলবাদী শিক্ষক হিসেবে এই মাদ্রাসাগুলোতে ঢুকে পড়ে। এমনকি বহু মেইন স্ট্রিমের স্কুলের গভর্নিং বডিতে মৌলবাদীরা ঢুকে পড়ে এবং অন্য ধর্মাবলম্বী শিক্ষিকাদের জন্য পর্যন্ত হিজাব পরা বাধ্যতামূলক করার চেষ্টা চালায়। শিক্ষা কার্যক্রমে অসহিষ্ণুতা ঢোকানোর ব্যবস্থা নেয়। ব্রাডফোর্ড এবং পূর্ব লন্ডনের একাধিক স্কুলে এ সম্পর্কিত অভিযোগ ওঠার পর ব্রিটিশ সরকার সতর্ক হন এবং এ সম্পর্কে তদন্ত শুরু হয়। এই তদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরই টোরি সরকার তাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় ধর্মীয় মৌলবাদীদের কৌশলী অনুপ্রবেশ সম্পর্কে সতর্ক হন এবং ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়ন্ত্রণের জন্য নতুন আইন প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নেন।
সরকারের পরিকল্পনা অনুসারে ব্রিটেনে মাদ্রাসাসহ রিলিজিয়াস সাপ্লিমেন্টারি স্কুলগুলোকে ডিপার্টমেন্ট অব এডুকেশনে রেজিস্ট্রিকরণ বাধ্যতামূলক করা হবে। স্কুল ও মাদ্রাসাগুলোতে ইনেস্পেকশন জোরদার করা হবে। সম্ভবত শিক্ষকদের আচরণ এবং শিক্ষা কার্যক্রমের উপরেও নজরদারি বাড়ানো হবে। ক্যামেরন বলেছেন, “মৌলবাদী তত্পরতায় ধর্মীয় সাপ্লিমেন্টারি স্কুলগুলো ব্রিটেনে বড় সমস্যার সৃষ্টি করছে।” সুতরাং নতুন আইন করে যেসব মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উগ্রবাদের বীজ ছড়ানো হয়, ঘৃণা ও অসহিষ্ণুতা শিক্ষা দেয়া হয়, শিক্ষার্থীদের শারীরিক শাস্তি দেয়া হয় সে সব প্রতিষ্ঠানকে বন্ধ করে দেয়া হবে। ব্রিটেনের অনেক চিন্তাশীল মুসলমানও মনে করেন, ব্রিটেনের আধুনিক সেকুলার শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে এই সরকারি পদক্ষেপ সঙ্গতিমূলক এবং এই পদক্ষেপ গ্রহণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে উগ্র মৌলবাদ ছড়ানো এবং ধর্মীয় শিক্ষাদানের নামে জিহাদিস্ট তৈরি করা নিরুত্সাহিত হবে।
বাংলাদেশে জঙ্গি মৌলবাদী তৈরির প্রধান ঘাঁটি যে একশ্রেণির মসজিদ-মাদ্রাসা তা আজ আর কারো অজানা নয়। প্রকৃত মাদ্রাসাগুলোতেও সঠিক মাদ্রাসা শিক্ষা এখন অবহেলিত। দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে একশ্রেণির মাদ্রাসা, যার আসল নিয়ন্ত্রক জামায়াত, হেফাজত এবং এই ধরনের উগ্র মৌলবাদী সংগঠনগুলো। ধর্মীয় পাঠদানের নামে এরা ওয়াহাবিজমের মতো উগ্র মৌলবাদ পাঠ্যসূচিতে ঢুকিয়েছে। বাংলাদেশের সেকুলার কালচার, স্বাধীনতার মূল মন্ত্রগুলোর বিরুদ্ধেও কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মনে ঘৃণা ও অসহিষ্ণুতা সৃষ্টি করা হচ্ছে।
মিডিয়ায় এমন খবরও বেরিয়েছে যে, কোনো কোনো মাদ্রাসায় জাতীয় পতাকা তোলা, জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া ধর্মবিরোধী আখ্যা দিয়ে বর্জন করা হয়। এমনকি একুশে ফেব্রুয়ারির ভাষা শহীদ দিবস পালনকেও ধর্মবিরোধী আখ্যা দিয়ে বাধা দেয়া হয়। গোপন জঙ্গি প্রশিক্ষণ ও রিক্রুটের আড্ডাও যে একশ্রেণির মাদ্রাসা সে অভিযোগও রয়েছে। সম্প্রতি এক চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে, যাতে দেখানো হয়েছে বাংলাদেশে একশ্রেণির মাদ্রাসার পাঠ্য বিষয়ে রয়েছে জাতীয় চেতনায় বিরোধী নানা কথাবার্তা। জামায়াতিরা কৌশলে ধর্ম শিক্ষাদানের নামে মাদ্রাসার পাঠ্যবইয়ে মওদুদিবাদ ঢুকিয়েছে এবং মওলানা মওদুদীর জীবন কথাও পাঠ্য বিষয়ে স্থান পেয়েছে।
বর্তমান সরকার দেশে শিক্ষা বিস্তারে যথেষ্ট সাফল্য দেখাচ্ছেন। কিন্তু মাদ্রাসা শিক্ষার একটা বড় অংশকে জামায়াত ও মৌলবাদীদের কবলমুক্ত করতে পারেননি। ফলে তারা যতোই জঙ্গিবাদ উচ্ছেদের প্রচেষ্টা চালান, জঙ্গি উত্পাদনের উত্স থেকে যাচ্ছে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায়। যখনই সরকার মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা সংস্কার ও আধুনিকীকরণের কথা তোলেন; জামায়াত ও অন্যান্য মৌলবাদী সংগঠনগুলো চিত্কার শুরু করে এই সরকার মাদ্রাসা শিক্ষা উচ্ছেদ করতে চায়। তাদের এই অসত্য প্রচারণায় কণ্ঠ মেলান একশ্রেণির রাজনৈতিক নেতা। এটাকে তারা রাজনৈতিক ইস্যু বানিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের উত্তেজিত করে তুলতে চান।
অথচ জঙ্গিবাদ দমনের জন্য পাকিস্তানে প্রথমেই অসংখ্য মসজিদ ও মাদ্রাসায় সরকার হামলা চালিয়েছে। দশ হাজারের বেশি মাদ্রাসা সরকারি নির্দেশে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ইসলামাবাদের ঐতিহাসিক লাল মসজিদে পর্যন্ত সেনাবাহিনী জঙ্গি দমনে কামান দেগেছে। পাকিস্তান সরকারের এই পদক্ষেপকে কেউ সেদেশে মাদ্রাসা উচ্ছেদ বা মসজিদ ভাঙার ইসলাম বিরোধী কাজ বলে প্রচার চালায়নি।
বাংলাদেশে (গোটা অবিভক্ত উপমহাদেশে) ব্রিটিশ আমলেও মাদ্রাসা শিক্ষা বাতিল করা হয়নি; কিন্তু তার সংস্কার করা হয়েছিল। মাদ্রাসা শিক্ষাকে ওল্ড স্কিম ও নিউ স্কিম এই দুই ধারায় বিভক্ত করা হয়েছিল। ওল্ড স্কিম মাদ্রাসাগুলোতে পুরনো ধারায় পাঠ্যসূচি অনুসরণ করা হতো। নিউ স্কিমের মাদ্রাসায় ইংরেজি ভাষা, বিজ্ঞান, ভূগোল ও অন্যান্য আধুনিক বিষয় পাঠ্য বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। আধুনিক শিক্ষার পাশাপাশি মাদ্রাসা শিক্ষা ছিল তত্কালে ভারসাম্যমূলক। স্বাধীন বাংলাদেশে এই ভারসাম্যটি নষ্ট হয়েছে।
সরকারি নিয়ন্ত্রণের বাইরে এবং বিতর্কিত সূত্রের অর্থে বাংলাদেশে আধুনিক শিক্ষার স্কুলগুলোর সংখ্যা বহু পেছনে ফেলে দিয়ে হু হু করে মাদ্রাসার সংখ্যা বাড়তে থাকায় আমাদের সেকুলার শিক্ষার ভিত নড়ে গেছে। শিক্ষার সেকুলার ভিত্তি ছাড়া সেকুলার রাষ্ট্র ও সমাজ গড়ে উঠতে পারে না। বাংলাদেশকে অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র হিসেবে কিভাবে গড়ে তোলা যাবে, যদি ধর্মশিক্ষার আড়ালে সাম্প্রদায়িকতা ও ধর্মান্ধতার বীজ ক্রমাগত তরুণ শিক্ষার্থীদের মনে ঢোকানো হতে থাকে? শিক্ষাক্ষেত্রে ধর্মান্ধতার প্রভাব বাড়তে থাকলে জঙ্গি তৈরি এবং তাদের সংখ্যা বাড়ানো কোনো সমস্যা নয়।
আমি মাদ্রাসা শিক্ষার বিরোধী নই। মাদ্রাসা শিক্ষা বাতিলের দাবিও আমি করি না। আমি নিজে প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেছি মাদ্রাসায়। আমার কথা, দেশের বৃহত্তর স্বার্থে মাদ্রাসা শিক্ষার সংস্কার করা হোক। তার আধুনিকায়ন প্রয়োজন। মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থাকে জামায়াত ও উগ্রবাদীদের কবলমুক্ত করা জরুরি দরকার। মাদ্রাসায় পাঠ্য বিষয়কে জাতির শিক্ষা সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ত করে তাকে যুগোপযোগী করে তোলা দরকার। মাদ্রাসাগুলোতে ধর্মশিক্ষার নামে ধর্মান্ধতার বীজ যাতে ছড়ানো হতে না থাকে সেজন্যে সরকারকে সতর্ক ও কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।
মাদ্রাসা শিক্ষার সংস্কার বাংলাদেশে একটি দারুণ স্পর্শকাতর বিষয়। এই ব্যাপারে অসাধু রাজনৈতিক প্রচারণা ব্যর্থ করার জন্য সরকারের উচিত এই সংস্কার পরিকল্পনা সম্পর্কে মুক্ত বুদ্ধির এবং আধুনিকমনা ওলামাদের পরামর্শ গ্রহণ এবং একটি জাতীয় কনভেনশন ডাকা। দেশে প্রকৃত মাদ্রাসা শিক্ষার বিকাশ ঘটাতে হলে এবং জঙ্গিদের উত্সমূল ধ্বংস করতে হলে মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার এবং এই শিক্ষা ব্যবস্থাকে উগ্র মৌলবাদীদের কবলমুক্ত করার ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহণে সরকারের বিলম্ব করা উচিত হবে না। – সূত্র: ইত্তেফাক

খবরটি শেয়ার করুন

Post Comment