বিচারক প্রত্যাহারের দাবিতে রাঙ্গামাটি আইনজীবীদের অবস্থান ধর্মঘট

রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি –

Court

আজ মঙ্গলবার রাঙ্গামাটির আইনজীবীরা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ও অতিরিক্ত জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেটকে প্রত্যাহারের দাবিতে আদালতে অবস্থান ধর্মঘট পালন করেছেন।

রাঙ্গামাটির আদালত প্রাঙ্গনে মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্ষন্ত অবস্থান ধর্মঘট কর্মসুচি পালন করেন আইনজীবীরা। এসময় জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হ্লাথোয়াই মারমা, সিনিয়র আইনজীবী জ্ঞানেন্দু বিকাশ চাকমা, সুব্রত হালদার, দুলাল কান্তি সরকার, দ্বীননাথ তংচংগ্যা, শাহ আলম, পরিতোষ কুমার দত্ত, সুস্মিতা চাকমা, মিহির বরণ চাকমাসহ জেলা আইজীবী সমিতির নেতৃবৃন্দ অংশ গ্রহণ করেন। অবস্থান ধর্মঘট চলাকালে আইনজীবীরা আদালত প্রাঙ্গনে মৌন মিছিলও বের করেন। এসময় আদালত প্রাঙ্গনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট সামস উদ্দীন খালেদ ও অতিরিক্ত জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট বেগম সাবরিনা আলী কর্তৃক অবিচারিকসুলভ আচরণ, স্বেচ্ছাচারী মনোভাব ও আইনজীবীদের সাথে অসৌজন্যমূলক ব্যবহারের কারণে তাদের প্রত্যাহারের দাবিতে মঙ্গলবার থেকে জেলা আইনজীবী সমিতির ডাকে লাগাতার আদালত বর্জন কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে। ফলে ওই দুই বিচারক বেঞ্চের লাগাতার বর্জন কর্মসূচির কারণে আদালতের বিচারিক কার্যক্রম অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। এতে দূরদূরান্ত থেকে আসা বিচারপ্রার্থীদের বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে।

জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট হ্লাথোয়াই মারমা জানান, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ও অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আইনজীবীদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ, স্বেচ্ছাচারী মনোভাব ও আইনজীবী সমিতির নেতৃবৃন্দকে ট্রেড ইউনিয়ন ও শ্রমিকের সাথে তুলনা করায় আইনজীবীদের অসম্মানিত করা হয়েছে। এই দুই বিচারককে প্রত্যাহার না করা পর্ষন্ত আদালত বর্জন কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে এবং আগামী রোববার সংবাদ সম্মেলন করা হবে। এরপরও যদি তাদের প্রত্যাহার করা না হয় আরও কঠোর কর্মসূচি দেয়া হবে।

তিনি আরও জানান, ইতোমধ্যে এ দুই বিচারককে প্রত্যাহারের দাবিতে প্রধান বিচারপতিসহ আইন মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে লিখিতভাবে আবেদন পাঠানো হয়েছে। কিন্তু এখনো তার কোন সুরাহা হয়নি।

খবরটি শেয়ার করুন

Post Comment