কৃষক মাঠ স্কুল বাস্তবায়ন বিষয়ে রাঙ্গামাটিতে দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত

আজ সোমবার রাঙ্গামাটিতে কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা প্রকল্পের (২য় পর্যায়) আওতায় কৃষক মাঠ স্কুল বাস্তবায়ন সম্পার্কিত দিনব্যাপী অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ ও সিএইচটিডিএফ-ইউএনডিপি-র যৌথ বাস্তবায়নে ও ড্যানিডার অর্থায়নে জেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা।

কৃষি সম্প্রসারন ও হর্টিকালচার সেন্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য জ্ঞানেন্দু বিকাশ চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা মৎস্য বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য সাধন মনি চাকমা, কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক রমনী কান্তি চাকমা, জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা: সাখায়াত হোসেন, জেলা মৎস্য অধিদপ্তরের সহকারী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো: আব্দুর রহমান, সিএইচটিডিএফ-ইউএনডিপি টেকনিক্যাল কো-অর্ডিনেটর ফিরোজ ফয়সাল, ডিএফএফএসই জনাব একেএম আজাদ। প্রজেক্টরের মাধ্যমে প্রকল্পের অগ্রগতি উপস্থাপন করেন সিএইচটিডিএফ-ইউএনডিপি-র সিনিয়র মাষ্টার ট্রেইনার বিমল জ্যাতি চাকমা।

স্বাগত বক্তব্য দেন সিএইচটিডিএফ-ইউএনডিপি কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা প্রকল্পের (২য় পর্যায়) ডিস্ট্রিক্ট অফিসার সুকিরন চাকমা। কর্মশালায় রাঙ্গামাটির বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, সরকারি কর্মকর্তা এবং কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা প্রকল্পের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কৃষক-কৃষাণী অংশ নেন।

প্রধান অথিতির বক্তব্যে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বলেন, বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ। এদেশের অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তিও কৃষি। বিশেষ করে পার্বত্য অঞ্চলের প্রত্যন্ত এলাকার মানুষ কৃষির উপর নির্ভর করে বেঁচে রয়েছে।

তিনি বলেন, কৃষি ও কৃষকের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য বর্তমান সরকার বেশ কিছু যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যববহার ও সরকার প্রদত্ত সুযোগ কাজে লাগিয়ে পার্বত্য অঞ্চলে আমাদের খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে হবে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে পার্বত্য এলাকার কৃষক এবং কৃষির উন্নয়নে উপস্থিত সকলকে নিজেদের অভিজ্ঞতা ও মতামত কর্মশালায় উপস্থাপনেরও আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, পার্বত্যাঞ্চলের প্রত্যন্ত এলাকার কৃষকদের নিয়ে এই প্রকল্পের কৃষক সহায়তাকারীদের কাজ করতে হবে। সহায়তাকারীদের মাধ্যমে কৃষকদের মাঝে কৃষি বিষয়ে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা ছড়িয়ে দিতে হবে। তবেই কৃষকদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব বলে মত দেন তিনি।

খবরটি শেয়ার করুন

Post Comment