রাঙ্গামাটি পৌরসভা নির্বাচন

শেষ দিনে রাঙ্গামাটিতে মেয়র ও কাউন্সিলরদের ব্যাপক প্রচারণা

রাঙ্গামাটি রিপোর্ট –

Election

নির্বাচনী প্রচারণার শেষ দিনে সোমবার রাঙ্গামাটিতে প্রচারণা সরগরম হয়ে উঠে। মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে নিজেদের শেষ প্রচারণা চালিয়েছেন। নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে প্রার্থীরা তাদের প্রতীকে ভোট দেয়ার আহবান জানিয়ে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন।

শহরে বিভিন্ন স্থানে মাইকিং করে ও উঠান বৈঠক করে সর্বশেষ প্রচারণা চালিয়েছেন কেউ কেউ। রাঙ্গামাটি শহরে মেয়র পদে ৭ জন প্রার্থী থাকলেও আওয়ামী লীগের ২ বিদ্রোহী প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ায় রাঙ্গামাটিতে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জন সংহতি সমিতির স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে।

BNP
সোমবার সকালে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আকবর হোসেন চৌধুরী বনরূপা বাজার এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণা চালান। বিএনপির প্রার্থী সাইফুল ইসলাম চৌধুরী গতকাল আসামবস্তী সহ বিভিন্ন এলাকায় প্রচারণা চালিয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. গঙ্গা মানিক চাকমা গতকাল সকাল থেকে বিভিন্ন এলাকায় প্রচারণা চালান এবং বিকালে রাজবাড়ী এলাকায় বিশাল শোডাউন করেন। অপরদিকে স্বতন্ত্র বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী রবিউল আলম রবি সকাল থেকে বিভিন্ন এলাকায় প্রচারণা চালালেও বিকালে বিশাল মিছিল নিয়ে রাঙ্গামাটি শহরের বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করেন।

JSS
এদিকে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে জেলা নির্বাচন অফিস যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। ইতিমধ্যে নির্বাচনী কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ প্রদান শেষে কেন্দ্রে কেন্দ্রে ব্যালট পেপার ও নির্বাচনী সরঞ্জাম পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

অপরদিকে প্রশাসন ভোট গ্রহণের দিন রাঙ্গামাটি শহরে যাতে কোন অপরিচিত ব্যক্তি থাকতে না পারে সে জন্য সোমবার দুপুর ১২ টা থেকে ভোট গ্রহণের দিন রাত ১২ টা পর্যন্ত শহরের সকল আবাসিক হোটেলে বাইরের লোকদের অবস্থান না করার জন্য হোটেল মালিকদের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন।

Robi
ফলে রাঙ্গামাটির হোটেলগুলোতে অগ্রিম বুকিং বাতিল করা হয়েছে এবং অবস্থানরত বর্ডারদের হোটেল ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

পৌর এলাকার নিরাপত্তার স্বার্থে রাঙ্গামাটি শহরে ব্যাপক পুলিশ ও বিজিবি মোতায়েন করে টহল জোরদার করা হয়েছে। সকাল থেকে রাঙ্গামাটি শহরের বিভিন্ন স্থানে পুলিশের ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করতে দেখা গেছে। সোমবার রাত ১২ টার পর থেকে রাঙ্গামাটি শহরে মোটর সাইকেল চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা থাকলেও অনেকেই নিজেদের মোটর সাইকেল নিয়ে রাস্তায় বের হলে বিপাকে পড়ে। পুলিশের বাধার মুখে নিজেদের কাজের পরিধি সমাপ্ত করে বাড়ি ফিরে গেছে।

খবরটি শেয়ার করুন

Post Comment