২৩৪ পৌরসভায় ভোটগ্রহণ চলছে

অনলাইন ডেস্ক –

Election

উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে দেশের ২৩৪টি পৌরসভায় ভোটগ্রহণ চলছে। বুধবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ বিরতিহীনভাবে চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। এ নির্বাচনে ৭০ লাখ ৯৯ হাজার ১৪৪ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৩৫ লাখ ৫২ হাজার ২৮৪ জন ও নারী ভোটার ৩৫ লাখ ৮৬ হাজার ৮৬০ জন। ভোট গ্রহণের দায়িত্বে রয়েছেন ৬৬ হাজার ৭৬৮ জন কর্মকর্তা।
ইসি’র উপ-সচিব সামসুল আলম জানিয়েছেন, নির্বাচনে ২০টি দল প্রার্থী দিয়েছে। এতে মেয়র পদে মোট প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ৯৪৫ জন। তাদের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন ২৮৫ জন।
দলগুলোর প্রতিদ্বন্দ্বী মেয়র প্রার্থীদের মধ্যে আওয়ামী লীগের ২৩৪ জন, বিএনপির ২২৩ জন, জাতীয় পার্টির ৭৪ জন, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির ৮ জন, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির ১ জন, জেপির ৬ জন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ৪ জন, বিকল্পধারা বাংলাদেশের ১ জন, প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দলের ১ জন, বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের ১ জন প্রার্থী রয়েছেন।
এছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের ৪ জন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) ২১ জন, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) ১ জন, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির ১৭ জন, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ) ১ জন, ইসলামী ঐক্যজোটের ১ জন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ৫৭ জন, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের ৩ জন, বাংলাদেশর বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির ১ জন ও খেলাফত মজলিশের ১ জন প্রার্থী নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন।
তাদের মধ্যে ভোটের মাঠে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত আওয়ামী লীগের ৭ প্রার্থী থাকছেন না।
মোট মেয়র প্রার্থীর মধ্যে নারী প্রার্থী রয়েছেন ১৫ জন। নারী প্রার্থীদের মধ্যে আওয়ামী লীগের ৬ জন, বিএনপির ১ জন, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির ৪ জন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন ৪ জন।
দীর্ঘ সাত বছর পর এবার ভোট চলছে নৌকা-ধানের শীষ প্রতীকে। বিএনপি ও আওয়ামী লীগের এ ভোটের লড়াই জমে উঠেছে। ইসি’র তথ্য থেকে জানা গেছে, ২৩৪টি পৌরসভার মধ্যে ২২২টিতে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রার্থীদের মুখোমুখি লড়াই হচ্ছে।
এবারের নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ২ হাজার ৪৮০ এবং সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৮ হাজার ৭৪৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাদের মধ্যে সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৪০ জন এবং সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৯৪ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। তাদেরও ভোটের প্রতিযোগিতায় থাকতে হচ্ছে না।
নির্বাচনে নিরাপত্তা বাহিনীর প্রায় সোয়া লাখ সদস্য মোতায়েন রয়েছে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

খবরটি শেয়ার করুন

Post Comment