পার্বত্য চট্টগ্রামে পর্যটন : সমস্যা ও সম্ভাবনা শীর্ষক পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্ট –

BKetu

পর্যটন সেক্টরকে মাস্টার প্লানের মাধ্যমে পার্বত্যাঞ্চলকে শীঘ্রই পর্যটন জোনে পরিণত করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা, এনডিসি। তিনি বলেন, অপার সম্ভাবনাময় এ অঞ্চলের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি সৌন্দর্য্যের দিকে পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে ইতোমধ্যে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে বিভিন্ন পরিকল্পনাও গ্রহণ করা হয়েছে। আর তা খুব দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে। বিশেষ করে পার্বত্য চট্টগ্রাম পর্যটন সেক্টরগুলোতে নতুন পরিকল্পনা যোগ করা হচ্ছে। নতুন নতুন জায়গায় পর্যটন স্পট গড়ে তোলা হবে। তার জন্য প্রয়োজন পর্যটন সেক্টরের সাথে সম্পৃক্ত সকলের সহযোগিতা। তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামকে একটি মডেল পর্যটন জোন হিসেবে গড়ে তোলার জন্য শান্তি-সম্প্রীতি বজায় রেখে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহবান জানান।

আজ শনিবার সকাল ১০টায় রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম পর্যটন : সমস্যা ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা এসব কথা বলেন।

রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. সামসুজ্জামান, রাঙ্গামাটি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মোস্তাফা জামান, জেলা পুলিশ সুপার মো. সাঈদ তারিকুল হাসান, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম জাকির হোসেন চৌধূরীসহ পরিষদের সদস্য, হোটেল মালিক সমিতি ও সাংবাদিক।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা আরও বলেন, পার্বত্যাঞ্চলে বিপুল সম্ভাবনা ও সুযোগ থাকলেও পর্যটন শিল্প কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি অর্জন করতে পারেনি। এ অঞ্চলে পর্যটন শিল্প এখনো আলোর মূখ দেখতে পায়নি। কিন্তু পর্যটন সম্ভাবনাকে পরিকল্পিতভাবে কাজে লাগানো গেলে পার্বত্যাঞ্চলের মানুষের জন্য বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ যেমন বাড়বে, তেমনি আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন বৃদ্ধি পাবে। রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের মাধ্যমে পর্যটন উন্নয়নে যেসব সমস্যা রয়েছে তা চিহ্নিত করা হচ্ছে। এসব সমস্যাগুলো থেকে উত্তরণ হওয়া যায় তার উপরও ভবিষ্যত পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বলেন, সকলের পরামর্শ ও পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এ জেলার পর্যটন শিল্প বিকাশে জেলা পরিষদ সবসময় কাজ করে যাবে। তিনি বলেন, পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে জেলা পরিষদ কৃষি প্রকল্পের মাধ্যমে সুবলং ঝর্ণার পানির উৎপত্তি স্থানগুলোর আরো উন্নয়ন করা হবে, যাতে করে ঝর্ণার পানির স্রোত বৃদ্ধি পায়।

খবরটি শেয়ার করুন

Post Comment