ডেইলি স্টারকে ঢাকার নিউইয়র্ক টাইমস বলা কি উচিত?

আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী –

AGC

বাংলাদেশে ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম সংক্রান্ত বিতর্কটি এখনও বাজার গরম করে রেখেছে। তার বিরুদ্ধে সরকার কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডেইলি স্টার এবং প্রথম আলো দুই পত্রিকার সম্পাদকের বিরুদ্ধেই প্রকাশ্যে তার অভিযোগ ব্যক্ত করেছেন। এটা নিয়ে আপত্তি করার কিছু নেই। তবে যেটা বাড়াবাড়ির পর্যায়ে পৌঁছেছে সেটা হলো, একটা পত্রিকার সম্পাদকের বিরুদ্ধে যদু মধু সবাই মিলে অসংখ্য মামলা দায়ের করা। কোটি কোটি টাকার মানহানির অভিযোগসহ রাষ্ট্রদ্রোহেরও অভিযোগ তোলা। এই যদু মধুদের নিরুৎসাহিত করা প্রয়োজন।

সরকারের সমালোচক মহল এটাকে সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ বলে যুক্তি দেখাচ্ছেন। বিবিসির এক প্রতিবেদক তো একধাপ এগিয়ে গিয়ে ঢাকার ডেইলি স্টারকে নিউইয়র্কের নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকার সঙ্গে তুলনা করে ডেইলি স্টারের সম্পাদকের বিরুদ্ধে মামলা-মোকদ্দমাগুলোকে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা দলন বলে আখ্যায়িত করেছেন। বিবিসির প্রতিবেদক সম্ভবত নিজের অজ্ঞানতাবশত ডেইলি স্টারের মর্যাদাকে বড় করে দেখাতে গিয়ে অত্যন্ত খাটো করে ফেলেছেন। নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকা অবশ্যই একটি বিশাল কাটতির পত্রিকা। কিন্তু সৎ সাংবাদিকতার সুনাম তার নেই। মার্কিন বিগ বিজনেস এবং চরম প্রতিক্রিয়াশীল রাজনীতির মুখপত্র পত্রিকাটি।

দেশে দেশে মার্কিন ধনতন্ত্রের স্বার্থরক্ষা এবং মার্কিন সাম্রাজ্যবাদী অভিসন্ধি পূরণে সত্যমিথ্যা প্রচার চালাতে পত্রিকাটি দ্বিধা করে না। ঢাকায় আমার বয়সী যেসব মানুষ আছেন তাদের জানা থাকার কথা, ১৯৫৪ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে স্বৈরাচারী মুসলিম লীগ সরকারকে ক্ষমতা থেকে হটিয়ে হক-ভাসানীর নেতৃত্বে যুক্তফ্রন্ট সরকার গঠন করুক, এটা মার্কিন সরকার চায়নি। কারণ, তার কিছু আগেই তারা বগুড়ার মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বে গঠিত কেন্দ্রীয় মুসলিম লীগ সরকারকে মার্কিন সামরিক জোটে ঢুকিয়েছে এবং পাকিস্তানে শক্তিশালী সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের ব্যবস্থা করে ফেলেছে। পূর্ব পাকিস্তানের যুক্তফ্রন্ট ছিল সামরিক জোটে যোগ দেয়ার বিরোধী।

এই যুক্তফ্রন্টের নির্বাচন বিজয় ঠেকাতে না পেয়ে নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকাটি এক ষড়যন্ত্রের আশ্রয় নেয়। যুক্তফ্রন্টের নেতা ফজলুল হক সরকার গঠনের পর তার হাঁটুর চিকিৎসার জন্য কলকাতায় গিয়েছিলেন। সেখানে এক সংবর্ধনা সভায় তিনি একটি চিরাচরিত আপ্ত বাক্য উচ্চারণ করেছিলেন, ‘‘আমি রাজনৈতিক বিভাগে বিশ্বাস করি না।” এ ধরনের কথা ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী চার্চিল আমেরিকা সফরে গিয়ে বহুবার বলেছেন, ‘‘আটলান্টিক আমাদের (ইংরেজ ও আমেরিকান) ভাগ করতে পারেনি।’’ এটা বন্ধুত্ব প্রকাশের একটা আপ্ত বাক্য। কিন্তু হক সাহেবের এই আপ্ত বাক্যটিকে নিউইয়র্ক টাইমস বিকৃতভাবে প্রচার করে যুক্তফ্রন্ট সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার কাজে সহায়তা জোগায়।

যুক্তফ্রন্ট সম্পর্কে মিথ্যা প্রচারের জন্য নিউইয়র্ক টাইমস সুদূর আমেরিকা থেকে ক্যালাহান নামে এক মার্কিন সাংবাদিককে ঢাকায় ও কলকাতায় পাঠায়। এই ক্যালাহান হক সাহেবের কলকাতা-বক্তৃতা সম্পর্কে রিপোর্ট দেন, হক সাহেব বলেছেন, “আমি বর্তমান দেশভাগ মানি না। এটা বাতিল করতে হবে।’’ ক্যালাহানের এই রিপোর্ট পাকিস্তানের সরকারী ও সরকার সমর্থক প্রচার মাধ্যমে ফলাও করে প্রচার করা হয়। ফজলুল হক ঢাকায় ফিরে তার বক্তব্য বিকৃত করার তীব্র প্রতিবাদ জানান। কিন্তু কে শোনে কার কথা? ক্যালাহানের রিপোর্টকে ভিত্তি করে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় মুসলিম লীগ সরকার হক সাহেবকে ট্রেইটর আখ্যা দেয় এবং বিশাল ভোটে নির্বাচিত তার মন্ত্রিসভাকে বরখাস্ত করে।

নিউইয়র্ক টাইমসের অসৎ সাংবাদিকতার অশেষ নজির আছে। পাকিস্তানে গণতন্ত্রের ধ্বংস সাধন এবং সামরিক একনায়কত্ব প্রতিষ্ঠার কাজে সবচাইতে বেশি সাহায্য জুগিয়েছে নিউইয়র্ক টাইমস। ১৯৫৮ সালে ইস্কান্দর মির্জা-আইয়ুব জুটি পাকিস্তানে রাজনৈতিক সরকার উৎখাত করার প্রাক্কালে নিউইয়র্ক টাইমস পাকিস্তানে রাজনৈতিক শাসন ব্যর্থ এবং দেশটির রাজনীতিকরা সকলেই দুর্নীতিবাজ বলে নিয়মিত প্রচারণা শুরু করে। এই প্রচারণাকেই লুফে নিয়ে ইস্কান্দর মির্জা ও আইয়ুব খান পাকিস্তানে গণতান্ত্রিক সরকার উৎখাত করে সামরিক শাসন প্রবর্তন করেন, যার জের দেশটি এখনো ভুগছে। জেনারেল আইয়ুব প্রেসিডেন্ট পদ দখল করার পর নিউইয়র্ক টাইমস প্রচারণা শুরু করে ‘‘পাকিস্তানের মানুষ আইয়ুব খানকে তাদের দেশের কামাল আতাতুর্ক মনে করে। তিনি সেভিয়ার অব দ্য নেশন।’’

শুধু পাকিস্তানে নয়, বিশ্বের বহু দেশে আমেরিকার সামরিক আধিপত্য প্রতিষ্ঠা এবং মার্কিন ষড়যন্ত্র সফল করার কাজে নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকাটির ভূমিকা ছিল বিরাট এবং এখনো সেই ভূমিকা অব্যাহত আছে। সুতরাং বিবিসির এক প্রতিবেদক ঢাকার ডেইলি স্টার পত্রিকাকে নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকার সঙ্গে তুলনা করে ডেইলি স্টারের সাংবাদিকতার সম্মান বাড়ালেন, না খর্ব করলেন সেই প্রশ্নটা সঙ্গতভাবেই করা যায়। ডেইলি স্টারও কি তাহলে নিউইয়র্ক টাইমসের মতো দেশের কায়েমী স্বার্থের মুখপত্র এবং এই কায়েমী স্বার্থের প্রয়োজনে দেশের বিরুদ্ধে অশুভ সাংবাদিকতায় লিপ্ত?

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় সংসদে তার এক ভাষণে ডেইলি স্টার ও তার বাংলা জুটি প্রথম আলো পত্রিকা সম্পর্কে অভিযোগ তুলেছেন। তিনি বলেছেন, “সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার মিথ্যা খবর লিখে আমাকে গ্রেফতারের পথ তৈরি করে দিয়েছিল। এদের ষড়যন্ত্রের শেষ নেই। কোনো রকমে গণতন্ত্রকে ধরাশায়ী করে অসাংবিধানিক সরকার এলে তাদের কপাল খুলে যাবে এই আশায় তারা ষড়যন্ত্র করে। দুটি পত্রিকায় ২০ বছর ধরে আমার বিরুদ্ধে লেখা হচ্ছে। আমার সম্পর্কে ভালো কিছু লিখলেও শেষের দিকে আমাকে খোঁচা দেবে। তাদের ধারণা এই খোঁচা খেয়ে আমি আত্মবিশ্বাস হারাবো।”

এই পত্রিকা দুটির দু’সম্পাদকের বিরুদ্ধে আরও একটি গুরুতর অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি ড. ইউনূসের নাম উল্লেখ না করে বলেছেন, “বাংলাদেশে গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের সঙ্গে আরেকজন জড়িত। তিনি নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের জন্য মাঠে নেমেছিলেন। একজন সম্পাদক তার দলে লোক জোগাতে নেমেছিলেন। কিন্তু কেউ তাদের ডাকে আসেনি।’’ প্রধানমন্ত্রী মাইনাস টু থিয়োরি বাস্তবায়নের ষড়যন্ত্রের সঙ্গেও এই দুই পত্রিকার সম্পাদকদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর এই অভিযোগে কোনো অসত্য নেই এবং অতিরঞ্জনও নেই। বহুদিন ধরেই পত্রিকা দুটির বিরুদ্ধে সচেতন সাংবাদিক মহলে এই অভিযোগগুলো ধূমায়িত হচ্ছে। শেখ হাসিনার ধৈর্য ও সহনশীলতাকে ধন্যবাদ দেব। দুই যুগের বেশি সময় ধরে তিনি এই দুই পত্রিকার এমনকি কোনো কোনো ইলেকট্রনিক মিডিয়ার তথাকথিত টকশোর দায়িত্বহীন এবং সাংবাদিকতার নীতিবিরুদ্ধ আলোচনাকেও সহ্য করেছেন। ইচ্ছা করলে গণতন্ত্রের রীতি মেনেই তিনি এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারতেন। এখনো তিনি তা করছেন না। বরং নিজেই একজন অভিযোগকারীর ভূমিকা গ্রহণ করেছেন।

এমন যে আমাদের প্রতিবেশী এতো প্রতিষ্ঠিত গণতন্ত্রের বড় দেশ ভারত, সে দেশেও গণতান্ত্রিক সরকার কখনো কখনো সংবাদপত্রের সমালোচনায় অসহিষ্ণু মনোভাবের পরিচয় দেখিয়েছেন। নেহেরু সরকার কলকাতার বিখ্যাত বাংলা দৈনিক সত্যযুগ পত্রিকার প্রকাশ বন্ধ করার ব্যবস্থা করেছিলেন। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গে ঘটেছে আরও ন্যক্কারজনক ঘটনা। কলকাতার বাংলা দৈনিক স্টেটসম্যানের প্রতিষ্ঠাতা-সম্পাদক মানস ঘোষ রাজ্যের ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস ও তার নেত্রী মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির নানা গণবিরোধী কাজের সমালোচনা করে আসছিলেন। জানা যায়, মমতা ব্যানার্জি মানস ঘোষকে সম্পাদকের পদ থেকে সরানোর জন্য পত্রিকা কর্তৃপক্ষের উপর চাপ দেন। এই চাপের মুখে স্টেটসম্যান কর্তৃপক্ষ মানস ঘোষকে পত্রিকার পলিসি পরিবর্তনের নির্দেশ দেন। মানস ঘোষ সেই নির্দেশ মানতে অপারগতা জানিয়ে পদত্যাগ করেন। তার পরিবর্তে মমতা ব্যানার্জির এক পছন্দের লোককে সম্পাদক পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশে হাসিনা সরকার স্টার-আলো নিয়ে এই ধরনের কোনো ঘটনা ঘটাননি। দুই সম্পাদককে অপসারণের জন্য পত্রিকা দুটির কর্তৃপক্ষের উপর কোন চাপ সৃষ্টি করেননি এবং সরকারী পর্যায়ে তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থাও গ্রহণ করেননি। ঢাকায় যেটা ঘটেছে তা হলো, সম্ভবত বিবেক পীড়াবশত মাহফুজ আনাম স্বেচ্ছায় তার সাংবাদিকতার একটি ভুল স্বীকার করে কেঁচো খুঁড়তে সাপ বের করে ফেলেছেন এবং একটি ভুল নয়, তাদের দুই পত্রিকার সামগ্রিক এবং প্রায় দুই দশকের ভূমিকার কথা বেরিয়ে এসেছে। এই ভূমিকা ছিল পক্ষপাতপূর্ণ, সৎ সাংবাদিকতার নীতিমালা বিরোধী এবং তাকে দেশের ও গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে সহায়তা দান বলে অনেকেই ভাবতে পারেন।

পত্রিকা দুটির এই ভূমিকার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা দলন করা হলো বলে আমি মনে করি না। স্বাধীনতার সঙ্গে দায়িত্ববোধও জড়িত থাকে। সেই দায়িত্ব এই পত্রিকা দুটি পালন করেনি। দুই সম্পাদকেরই উচিত, অতীতের একটি দুটি ভুল স্বীকার করা নয়, তাদের সাংবাদিকতা যে পক্ষপাতপূর্ণ এবং দেশ ও গণতন্ত্রের স্বার্থবিরোধী এই অন্যায় সংশোধনের অঙ্গীকার তাদের পাঠকদের কাছে করা। সরকার ডেইলি স্টারের সম্পাদকের বিরুদ্ধে সরাসরি কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি তাতে আমি আনন্দিত। সরকার সহিষ্ণুতার পরিচয় দেখিয়েছেন এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতাকে সম্মান দেখিয়েছেন। সম্পাদক মাহফুজ আনামেরও উচিত প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের সাংবাদিকতার নীতিমালা সংশোধন করা। নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার দাবিটি সত্য বলে পাঠক সমাজে প্রতিষ্ঠা করা।

মাহফুজ আনাম ও মতিউর রহমান ডেইলি স্টার ও প্রথম আলোর সম্পাদক পদ থেকে সরে যান তা আমি চাই না। আমার অনুরোধ, তারা সৎ সাংবাদিকতার পথে ফিরে আসুন। তারা সরকারের সমালোচনা করুন। কিন্তু তা যেন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত না হয় এবং কায়েমী স্বার্থের ষড়যন্ত্রের সহায়ক প্রচারণা না হয়ে দাঁড়ায়। ডেইলি স্টার কোনো কারণেই নিউইয়র্ক টাইমসের ভূমিকা গ্রহণ করুক তা দেশের কোনো সচেতন সাংবাদিকের কাম্য হতে পারে না। একটি আশঙ্কার কথা বলি, মাহফুজ আনামের মতো অভিজ্ঞ সম্পাদকের পত্রিকা সম্পাদনা থেকে সরে গেলে সেই শূন্যস্থান পূরণ করতে পারে মাহমুদুর রহমানের মতো (বর্তমানে জেলে আটক) বিতর্কিত চরিত্রের ভুঁইফোড় সম্পাদকেরা। আদালত যাকে অভিহিত করেছে ‘ঘটনাক্রমে সম্পাদক’ (By chance Editor) হিসেবে।

মাহফুজ আনামের বিরুদ্ধে মামলার পর মামলা ঠোকা হচ্ছে এটা একটা বাড়াবাড়ি। যারা এ মামলাগুলো করছেন, তাদের অনেকেরই উদ্দেশ্য ভিন্ন। দেশে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা যেমন দরকার, তেমনি দরকার এই স্বাধীনতার নামে নৈরাজ্য ঠেকানো। সে জন্যে একটি কোড অব কনডাক্ট রচিত হওয়া প্রয়োজন। সম্পাদক পরিষদই সেটা তৈরি করুন এবং তাতে সরকারের পরামর্শ নিন। যেসব সাংবাদিক বা সম্পাদক সাংবাদিকতার নীতিমালা লঙ্ঘন করবেন, তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেশ ও বিচারের জন্য পাকিস্তান আমলের মতো একটি কোর্ট অব অনার প্রতিষ্ঠা করা যেতে পারে।

ব্রিটেনে অপসাংবাদিকতার বিরুদ্ধে অভিযোগ পেশের কমিশন আছে। টাইমস গ্রুপের সাপ্তাহিক ‘নিউজ অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ টেলিফোন হ্যাকিংয়ের দ্বারা নাগরিকদের প্রাইভেসি লঙ্ঘন করেছে এই অভিযোগে পত্রিকার সম্পাদক ও রিপোর্টার গ্রেফতার হন। সর্বাধিক প্রচারিত এই পত্রিকাটি বন্ধ করে দেয়া হয়। তাতে কেউ বলেনি যে, ব্রিটেনে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা লঙ্ঘিত হয়েছে। বাংলাদেশেও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষার পাশাপাশি এই স্বাধীনতার যাতে অপব্যবহার না হয় তার ব্যবস্থা হওয়া উচিত। দেশের সরকার এবং সংবাদপত্র দু’য়েরই উচিত এই ব্যাপারে অগ্রণী হওয়া। – জনকন্ঠ

[লন্ডন ১ মার্চ, মঙ্গলবার, ২০১৬]

খবরটি শেয়ার করুন

Post Comment