দীপংকর তালুকদারের সাথে ইউপি’র নব নির্বাচিত চেয়ারম্যানদের সাক্ষাৎ

রাঙ্গামাটি রিপোর্ট –

DT

পার্বত্য দুর্গম এলাকার জনগণ অস্ত্রের ভয়কে উপেক্ষা করে নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সম্মান জানিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী দীপংকর তালুকদার। তিনি বলেন, আঞ্চলিক রাজনৈতিক দলগুলোর অস্ত্রের মহড়াকে উপেক্ষা করে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে জনগণ আবারো প্রমাণ করেছেন তারা আওয়ামী লীগকে ভালোবাসে। এই ধারা অব্যাহত রাখতে জনগণের কাছে নেতাকর্মীদের পৌঁছাতে হবে। জনগণের ভালোবাসা আছে বলে পার্বত্য অঞ্চলের আওয়ামী লীগ উন্নয়নের করে যাচ্ছে।

বুধবার (৮ জুন) বিকেলে বিলাইছড়ির ফারুয়া, বাঘাইছড়ির রূপকারী ও আমতলী ইউনিয়ন পরিষদের নব নির্বাচিত চেয়ারম্যানরা তার সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করতে আসলে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সদস্য রেমলিয়ানা পাংখোয়া, সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য অভিলাষ তঞ্চঙ্গ্যা, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সুরেশ তঞ্চঙ্গ্যা, সাধারণ সম্পাদক সাইদুল ইসলাম, বিলাইছড়ি উপজেলার দুর্গম ফারুয়ার নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান বিদ্যালাল তঞ্চঙ্গ্যা, বাঘাইছড়ি উপজেলার আমতলী ইউনিয়নের মো: রাসেল আহমেদসহ দুটি ইউনিয়নের নব নির্বাচিত মেম্বার ও মহিলা মেম্বারসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

দীপংকর তালুকদার বলেন, আওয়ামী লীগ এমন একটি দল সে কখনোই হারতে শিখেনি। আওয়ামী লীগের পতাকা তলে যারা এসে আশ্রয় নেয় তারা শত কষ্টে থেকেও আওয়ামী লীগের পতাকাকে উড্ডীয়মান করে রাখে।

তিনি বলেন, আঞ্চলিক সংগঠন গুলোর মুল লক্ষ্য হচ্ছে আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করা। পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়নে আওয়ামী লীগ এতো কিছু করছে বলেই তারা তাদের অস্তিত্ব হারিয়ে ফেলছে। কারণ পার্বত্য অঞ্চলের মানুষ যতই শিক্ষিত হবে তাদের বন্দুকের নল ততই ভোঁতা হয়ে যাবে। সেই কারণে আওয়ামী লীগকে তাদের প্রধান শত্রু মনে করে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে তারা অবস্থান নিয়েছে।

দীপংকর তালুকদার বলেন, একটি সময় ছিলো দীপংকর তালুকদারকে আওয়ামী লীগ থেকে সরাতে পারলেই হয়তো আওয়ামী লীগকে তারা ভালোবাসবে। কিন্তু বর্তমান অবস্থানে এসে আমাদের মনে হচ্ছে পার্বত্য অঞ্চলে দীপংকর তালুকদার নয় আওয়ামী লীগই তাদের প্রধান শত্রু, তারা আওয়ামী লীগকে পার্বত্য অঞ্চল থেকে তাড়ানোর জন্যই এই অবস্থান নিয়েছে। তাই আওয়ামী লীগের নৌকা মার্কা প্রতীক নিয়ে কেউ নির্বাচন করলে তাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকী দিচ্ছে। এতে ভীত হয়ে অধিকাংশ মানুষ আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করতে রাজী হয়নি।

যারা আওয়ামী লীগকে ভালোবেসে বন্দুকের গুলির মুখে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেছেন তিনি তাদের সাধুবাদ জানান। তিনি তাদেরকে আরো সাহসী বন্ধু খুঁজে বের করে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রতি ভালেবাসা জন্মানোর অনুরোধ জানান।

খবরটি শেয়ার করুন

Post Comment