আ’লীগ নেতার মুক্তির দাবীতে বান্দরবানে দ্বিতীয় দফার অবরোধ চলছে

বান্দরবান রিপোর্ট –

Blockade

বান্দরবানে অপহৃত আওয়ামী লীগ নেতা মংপু মারমা ৫ দিনেও উদ্ধার না হওয়ায় গতকালের ঘোষণা অনুযায়ী আজ থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সড়ক ও নৌ-পথ অবরোধ কর্মসূচি পালন করছে জেলা আওয়ামী লীগ।

বান্দরবানের রুমা, রোয়াংছড়ি, থানচি এ তিনটি উপজেলা এবং বান্দরবান সদর উপজেলার কুহালং ও রাজবিলা ইউনিয়নে এ অবরোধ চলছে। তবে বান্দরবান পৌরসভা ও বান্দরবান-চট্টগ্রামের প্রধান সড়ক অবরোধের অবরোধের আওতা বহির্ভূত রাখা হয়েছে। সকালে অবরোধের সমর্থনে অবরুদ্ধ এলাকাসমূহের প্রধান সড়কগুলেতে বিক্ষোভ মিছিল ও টায়ার জ্বালিয়ে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের পিকেটিং করতে দেখা গেছে।

অবরোধের কারণে থানছি, রোয়াংছড়ি, রুমা উপজেলার সাথে জেলা সদরের সাথে সড়ক ও নৌ-পথ সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।

এর আগে গত ১৪ জুন জেলা আওয়ামী লীগ অনির্দিষ্টকালের জন্য সড়ক-নৌপথ অবরোধের ঘোষণা দিলে ১৫ এবং ১৬ জুন অবরোধ চলার পর অবরোধের দ্বিতীয় দিন বিকালে এক পথ সভায় অবরোধ স্থগিত করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল।

উল্লেখ্য, গেলো ১৩ জুন সোমবার রাত ১১টার দিকে রাজবিলা ইউনিয়নের জামছড়ি মুখ পাড়ার ইউপি’র মহিলা সদস্য ক্রানুপ্রু মারমার বাড়ি থেকে মংপু মারমা নামের এই নেতাকে ১০/১৫ জনের একটি অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী দল অপহরণ করে গভীর জঙ্গলের দিকে নিয়ে যায়।

এর পর অপহৃত মংপু মারমার জামাতা হ্লামংসিং মারমা বাদী হয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম জন সংহতি সমিতির শীর্ষনেতাসহ ৩৮ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে বান্দরবান থানায় মামলা দায়ের করেন। ঘটনার জন্য জেলা আওয়ামী লীগের নেতারা পার্বত্য চট্টগ্রাম জন সংহতি সমিতির সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের দায়ী করেন।

বান্দরবান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: রফিক উল্লাহ জানান, মংপু মারমাকে উদ্ধার অভিযান আরো জোরদার করা হয়েছে। বিভিন্ন স্তরের সাধারণ মানুষ উদ্ধার অভিযানে সেনা সদস্য ও পুলিশকে সহায়তা করছেন।

অপহরণ ঘটনার মামলায় পুলিশ এ পর্যন্ত পার্বত্য চট্টগ্রাম জন সংহতি সমিতির বান্দরবান সদর উপজেলার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক উচসিং মারমা, মেহ্লাচিং মারমা, সাদোচিং মারমা, শৈখ্যাইচিং মারমা ও বাচিংমং মারমা নামে ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

খবরটি শেয়ার করুন

Post Comment