জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্য হলেন বাঞ্চিতা চাকমা

রাঙ্গামাটি রিপোর্ট –

Banchita

 

রাঙ্গামাটি সরকারি কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ প্রফেসর বাঞ্চিতা চাকমাকে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের অবৈতনিক সদস্য হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে প্রফেসর বাঞ্চিতা চাকমার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, মহামান্য রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরিত জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্য হিসেবে নিয়োগ পাওয়া একটি পত্র পেয়েছেন। তবে কবে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করবেন পত্রে তা উল্লেখ করা হয়নি। প্রদত্ত দায়িত্ব যাতে যথাযথভাবে সম্পাদন করতে পারেন সেজন্য তিনি সকলের কাছে আশীর্বাদ চেয়েছেন।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০০৯ এর ৬ (১) ধারা মতে রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ গেলো মঙ্গলবার জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্য কাজী রিয়াজুল হককে কমিশনের চেয়ারম্যান নিয়োগ দেন। দু’বছর মেয়াদে কমিশনের চেয়ারম্যান থাকাকালে তিনি সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগের একজন বিচারপতির সমান মর্যাদায় বেতন, ভাতা ও অন্যান্য সুবিধাদি পাবেন।

গেলো মঙ্গলবার আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। গেলো ২৩ জুন ড. মিজানুর রহমানের তিন বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ায় চেয়ারম্যানের পদটি শুন্য হয়।

নিয়োগপত্র পাওয়ার পর মঙ্গলবার দুপুরে চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হকসহ নবনিযুক্তদের মধ্যে কয়েকজন দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

কমিশনের নিয়োগপ্রাপ্ত একজন সার্বক্ষণিক সদস্য হলেন – সাবেক সচিব নজরুল ইসলাম, পাঁচজন অবৈতনিক সদস্য হলেন – ঢাবি শিক্ষক অধ্যাপক আক্তার হোসেন, অধ্যাপক মেঘনা গুহঠাকুরতা, রাঙ্গামাটি সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ বাঞ্চিতা চাকমা, সাংবাদিক এনামুল হক চৌধুরী এবং সাবেক প্রেস মিনিষ্টার দিল্লী ও সাবেক জেলা জজ নুরুন্নাহার ওসমানী।

অবৈতনিক সদস্য পদে অধিষ্ঠিত থাকাকালীন নব নিযুক্তরা কমিশনের সভায় যোগদানসহ অন্যান্য দায়িত্ব সম্পাদনের  জন্য কমিশনের নির্ধারিত হারে সম্মানী ও ভাতা পাবেন।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৮ সালের ১ ডিসেম্বর এক অধ্যাদেশের মাধ্যমে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন গঠন করা হয়। পরবর্তীতে চেয়ারম্যান হিসেবে চেয়ারম্যান বিচারপতি আমীরুল কবির চৌধুরীকে নিয়োগ দেওয়া হয়। ২০১০ সালের ১৪ জুলাই জাতীয় সংসদে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন পাস হয়।

 

খবরটি শেয়ার করুন

Post Comment