বঙ্গবন্ধুর শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে শ্রমিক লীগের উদ্যোগে আলোচনা সভা

রাঙ্গামাটি রিপোর্ট –

DTসংগৃহীত ছবি

বঙ্গবন্ধুর ৪১তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে জাতীয় শ্রমিক লীগ রাঙ্গামাটি জেলা শাখার উদ্যোগে আলোচনা সভাসহ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

শ্রমিক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোক্তার আহম্মদ এর সভাপতিত্বে আজ বুধবার রাঙ্গামাটি জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন রাঙ্গামাটি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী দীপংকর তালুদার।

সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ রাঙ্গামাটি জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য হাজী মো. মুছা মাতব্বর। সঞ্চালনা করেন শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম।

অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন, রাঙ্গামাটি আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক জসিম উদ্দিন বাবুল, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক অভয় প্রকাশ চাকমা, প্রচার সম্পাদক মমতাজুল হক প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে দীপংকর তালুকদার বলেন, আওয়ামী লীগ পার্বত্য অঞ্চলের জন্য একটি আশার প্রদীপ হিসাবে বর্তমানেও প্রজ্বলিত রয়েছে। এক সময় পার্বত্য অঞ্চলে আমরা আওয়ামী লীগ করতাম বলে অনেকে আমাদেরকে পাগল বলতো। কিন্তু কালক্রমে যখন পার্বত্য অঞ্চলে আওয়ামী লীগের জয় গান ছড়িয়ে পড়েছে, ঠিক তখনই আমাদের স্থানীয় কিছু গণ প্রত্যাখ্যাত সংগঠন আওয়ামী লীগকে পার্বত্য অঞ্চল থেকে নিশ্চিহ্ন করতে উঠে পড়ে লেগেছে।

তিনি বলেন, পাহাড়ের অস্ত্রধারীরা আওয়ামী লীগ কর্মী-সমর্থকদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিচ্ছে। আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের সন্ত্রাসীরা অপহরণ করছে এবং হত্যাসহ নানান ভাবে হুমকী প্রদর্শন করছে। কিন্তু তাদের নির্যাতন সত্ত্বেও আওয়ামী লীগের কোন নেতা-কর্মী আওয়ামী লীগ ছেড়ে যায়নি, এখানেই আওয়ামী লীগের সার্থকতা। এসব করে আওয়ামী লীগকে কখনই দমিয়ে রাখা যাবে না।

তিনি আরো বলেন, পাহাড়ে অস্ত্র ও চাঁদাবাজের কারণে আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এই অস্ত্রবাজি ও চাঁদাবাজি বন্ধ করা না হলে এই অঞ্চলের উন্নয়ন কখনোই সম্ভব পর হবে না। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। এই অঞ্চলকে আলোকিত করতে আওয়ামী লীগ সরকার প্রত্যন্ত এলাকায় বিদ্যুৎ এনে দিয়েছে, যা আওয়ামী লীগ সরকারের অবদান বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, যারা আওয়ামী লীগ করে তারা একদিন সুফল পাবে। পার্বত্য অঞ্চলের প্রতিটি মানুষের মুখে মুখে আওয়ামী লীগের জয়গান হবে। তখন সন্ত্রাসীরা আর অস্ত্র দিয়ে ভয় দেখাতে পারবে না। তাদের অস্ত্র তখন আর কাজ করবে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

 

খবরটি শেয়ার করুন

Post Comment