প্রেস রিপোর্ট

রাঙ্গামাটিতে বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস পালন

রাঙ্গামাটি রিপোর্ট –

bketu

১০ম বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস ২০১৬ উপলক্ষে রাঙ্গামাটিতে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাঙ্গামাটি জেলা প্রাণীসম্পদ বিভাগের আয়োজনে বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে সদর উপজেলা প্রাণীসম্পদ অফিস চত্বর থেকে এক র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে আসামবস্তি জেলা প্রাণী সম্পদ কার্যালয়ের প্রশিক্ষণ ভবনের কক্ষে এক আলোচনা সভায় মিলিত হয়।

রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের প্রাণী সম্পদ বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্য রেমলিয়ানা পাংখোয়ার সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা।

এ সময় সিভিল সার্জন ডা: স্নেহ কান্তি চাকমা, জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা: মোঃ সাখাওয়াত হোসেন, জেলা পিগ ফার্মের সহকারী পরিচালক ডা: উত্তম কুমার দাস, সরকারী হাঁস মুরগী খামারের ব্যবস্থাপক ডা: অমর জ্যোতি চাকমা, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা কৃষ্ণ প্রসাদ মল্লিক, জেলা প্রাণী সম্পদ দপ্তরের ভেটেনারি সার্জন দেবরাজ চাকমা’সহ প্রাণীসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা ও স্বাস্থ্য বিভাগের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা/কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিষদ চেয়ারম্যান বলেন, জলাতঙ্ক হল এমন এক মারাত্মক রোগ যার ফলে মস্তিষ্ক ক্ষতিগস্ত হয়। জলাতঙ্কের কারণে প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষ মারা যায়। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে কুকুর ও অন্যান্য পশুর কামড়ে জলাতঙ্ক সংক্রমণের আশংকা সবচেয়ে বেশী। তাই অভিভাবকদের এবিষয়ে সচেতন হতে হবে। মাঠকর্মী, সচেতন মহল ও জন প্রতিনিধি নিয়ে সচেতনতামূলক সভা করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকতাদের পরামর্শ দেন তিনি। তিনি বলেন, তাদের মাধ্যমেই এ সচেতনতামূলক বার্তাগুলো সাধারণ জনগণের মাঝে পৌঁছে দিতে হবে। তিনি বলেন, তৃণমূল পর্যায়ের জনগণের কাছে জলাতঙ্ক রোগের সচেতনতা, প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ গড়ে তুলতে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে প্রাণী সম্পদ বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্য রেমলিয়ানা পাংখোয়া বলেন, কুকুর ও বিভিন্ন পশু থেকে মানুষের মধ্যে ক্ষতের মাধ্যমে বা আঁচড়ের মাধ্যমে বা সরাসরিভাবে লালার মাধ্যমে জলাতঙ্ক রোগ হয়। কুকুরের কামড় বা আঁচড়ের সাথে সাথে ক্ষত স্থানে সাবান ও পানি দিয়ে অন্তত ১৫মিনিট ধুয়ে রাখতে পারলে সংক্রমণের আশংকা কমে যায়। এ সচেতন বার্তাগুলো আমাদের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষদের জানাতে হবে। বিশেষ করে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জলাতঙ্ক রোগ ও এর প্রতিরোধ এবং টিকা গ্রহণ সম্পর্কে ধারণাগুলো প্রদান করতে তিনি প্রাণীসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান।

অরুনেন্দু ত্রিপুরা
২৮ সেপ্টম্বর ২০১৬
জন সংযোগ কর্মকর্তা
রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ
ছবি এবং সংবাদ : লিটন শীল।

খবরটি শেয়ার করুন

Post Comment