রমেল হত্যার প্রতিবাদ ও বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবিতে গণ-মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

সেনাবাহিনী কর্তৃক বে-আইনী গ্রেফতার ও অমানুষিক নির্যাতন চালিয়ে পিসিপি নেতা ও এইচএসপি পরীক্ষার্থী রমেল চাকমা হত্যার প্রতিবাদ, হত্যার সাথে জড়িত নান্যাচর জোন কমান্ডর লে. কর্নেল বাহালুল আলম ও মেজর তানভীরসহ হত্যায় জড়িত সকল সেনাসদস্যদের গ্রেফতার ও উপযুক্ত শাস্তি ও রমেল চাকমার পরিবারকে যথোপযুক্ত ক্ষতিপুরণ প্রদানের দাবিতে আজ তিন পার্বত্য জেলার বিভিন্ন উপজেলায় সকাল ৯ টা থেকে ১১ টা পর্যন্ত তিনি ঘন্টা ব্যাপী গণ-মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

খাগড়াছড়ি: খাগড়াছড়ি জেলার রামগড়, মানিকছড়ি, লক্ষ্মীছড়ি, মহালছড়ি, পানছড়ি, দীঘিনালা ও খাগড়াছড়ি পৌরসভাসহ সদর উপজেলায় শান্তিপূর্ণভাবে পূর্বঘোষিত মানব বন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

রাংগামাটি: রাংগামাটি জেলার কাউখালী, নান্যাচর, বাঘাইছড়ি ও রাংগমাটি সদর উপজেলায় গণ-মানব বন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

বান্দরবান : বান্দরবানে একমাত্র বান্দরবান সদরে প্রেসক্লাবের সম্মুখে স্থানীয়ভাবে মানব বন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।

খাগড়াছড়ি জেলার মানিকছড়ি উপজেলায় গচ্চাবিল বাজারে মানব বন্ধন চলাকালীন মানিকছড়ি আর্মি ক্যাম্প থেকে দু’টি গাড়িযোগে একদল সেনাবহিনী গিয়ে অতর্কিতে হামলা চালায়। এতে নারীসহ মোট ১৮জন আহত হন। আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

মানব বন্ধন চলাকালে সেনাবাহিনীর সদস্যরা ৪ জনকে আটক করে নিতে চাইলে নারীরা তাতে বাধা দেয়। পরে সেনাবাহিনীর কাছ থেকে ছিনিয়ে রাখে।

জেলার মহালছড়ি, দীঘিনালা, পানছড়িতে সেনাবাহিনী মানব বন্ধন কর্মসূচিতে বাধা প্রদান করেছে। খাগড়াছড়ি পৌরসভা ও সদর উপজেলার রাস্তায় সেনাবাহিনী সদস্যরা গাড়ি নিয়ে টহল দেয় এবং মানব বন্ধনে অংশ গ্রহণকারীদের ভিডিও ধারণ করেন।

রাংগামাটি জেলার কাউখালী উপজেলাধীন ঘাগড়া ইউনিয়নে শান্তিপূর্ণ গণ-মানব বন্ধন কর্মসূচিতে জন সংহতি সমিতি ও সেনাবাহিনী জোটবদ্ধভাবে হামলা চালিয়ে প্লাকার্ড ও ব্যানার কেড়ে নেয় এবং সেখান থেকে ইউপিডিএফ -এর স্থানীয় সংগঠক পুলক চাকমাকে সেনাবাহিনী গ্রেফতার করে নিয়ে যায়।

বান্দরবান জেলা সদরে প্রেসক্লাবের সামনে শান্তিপূর্ণভাবে মানব বন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

বার্তা প্রেরক –

রোনাল চাকমা
দপ্তর সম্পাদক
বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ (পিসিপি), কেন্দ্রীয় কমিটি।

খবরটি শেয়ার করুন

Post Comment