দশ দিগন্তে

কোনো দেশই এক ব্যক্তির দ্বারা স্বাধীন হয়নি

আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী –

 

বাংলায় একটা প্রবাদ আছে, “দশচক্রে ভগবান ভূত।” এই প্রবাদটি একবার বাংলাদেশে বিচারপতি সাহাবুদ্দীনের বেলায় সঠিক প্রমাণিত হয়েছিল। তিনি নিজে ভালো মানুষ বলে পরিচিত। কিন্তু দশচক্রে পড়ে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি পদে বসেই ভগবান থেকে ভূতে পরিণত হয়েছিলেন। যিনি হতে পারতেন গণতান্ত্রিক বাংলার নতুন নির্মাতা, তিনি দশচক্রের কবলে পড়ে আজ বেঁচে থেকেও বিস্মৃতির অতলে তলিয়ে গেছেন। তিনি আজ জীবন্মৃত। আমার ভয় হয়, আমাদের বর্তমান প্রধান বিচারপতি মাননীয় সুরেন্দ্র কুমার সিনহা একজন ভালো মানুষ, প্রাজ্ঞ বিচারপতি হওয়া সত্ত্বেও সেই একই দশচক্রে পড়ে আবার ভগবান থেকে ভূত না হন। অবসর গ্রহণের পর ইতিহাস ও মানুষের হূদয় থেকে একেবারে হারিয়ে না যান।

মাননীয় প্রধান বিচারপতির প্রতি শ্রদ্ধা রেখে এবং তাঁকে তা জানিয়ে আমার আশঙ্কার কথাটা লিখছি। এই আশঙ্কাটা হলো, তিনি নিজের অজান্তেই হয়তো ২০০১ সালের দুষ্ট দশচক্রের পাল্লায় পড়েছেন। এই দুষ্ট চক্র ২০০১ সালে বিচারপতি রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দীন আহমদকে তাদের রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির কাজে ব্যবহার করেছে। বর্তমানে আরেকটি সাধারণ নির্বাচন সামনে নিয়ে তাদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল করার কাজে প্রধান বিচারপতি এস, কে সিনহাকে ব্যবহার করতে চাইছে।

নইলে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী চক্রান্ত রায়ের সঙ্গে তিনি নিজের একার সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক এবং আপত্তিকর পর্যবেক্ষণ যুক্ত করলেন কেন এবং কী উদ্দেশ্যে? আপত্তিকর কথাটা যুক্ত করলাম এজন্য যে, তিনি আর যা অপ্রাসঙ্গিক কথা বলেছেন তো বলেছেন। কিন্তু দেশের স্বাধীনতার স্থপতি এবং জাতির পিতা সম্পর্কে ইঙ্গিতবহ এবং অবমাননাকর মন্তব্যটি করতে গেলেন কেন? তাঁর প্রতি আমার মনে যে পরম শ্রদ্ধা, এই মন্তব্যটি সেই শ্রদ্ধাবোধে আঘাত করেছে। ষোড়শ সংশোধনীর সঙ্গে সম্পূর্ণ সম্পর্কহীন এই পক্ষপাতদুষ্ট মন্তব্যগুলো প্রত্যাহার বা রায় থেকে (যদিও এই পর্যবেক্ষণ রায়ের অন্তর্ভুক্ত নয় এবং বিচারক-প্যানেলের অধিকাংশ সদস্যই তাঁর পর্যবেক্ষণের সঙ্গে সহমত প্রকাশ করেননি) এক্সপাঞ্জ করার জন্য বিনীতভাবে তাঁকে অনুরোধ জানাচ্ছি। তাতে তাঁর বা মহামান্য আদালতের সম্মানহানি হবে না। বরং তা বাড়বে।

দেশে মানবাধিকার নেই, বাকস্বাধীনতা নেই, পার্লামেন্ট অকেজো, সকলের অংশগ্রহণে নির্বাচন হয় না, তাই দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা পায় না, বিচার বিভাগ স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে না, এসব অভিযোগ তো আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে প্রথমে বিএনপি-জামায়াতের এবং পরে একটি সুশীল সমাজ এবং তাদের দু’টি মুখপত্রের জপমন্ত্র, এসব জপমন্ত্র মাননীয় প্রধান বিচারপতি নিজের কণ্ঠে ধারণ করলেন কেন?

দেশে যদি বিচার বিভাগ স্বাধীনভাবে কাজ করতে না পারেন, তাহলে একাধিক মামলায় তারা সরকারের ইচ্ছার বিরুদ্ধে রায় দেন কিভাবে? পার্লামেন্টের গৃহীত ষোড়শ সংশোধনী বাতিল করেন কোন্ শক্তিতে? বর্তমান প্রধান বিচারপতিই-বা কিভাবে বিরোধী দলের চাইতেও শক্ত ভাষায় সরকারের সমালোচনা করেন? সরকারের ইচ্ছার বিরুদ্ধে রায় দিতে গিয়ে পাকিস্তান আমলে জাস্টিস মুর্শেদের এবং জেনারেল এরশাদের আমলে বিচারপতি কে. এম. সোবহানের কী পরিণতি ঘটেছিল বিচারপতি সিনহা তা নিশ্চয়ই  জানেন। বর্তমান হাসিনা সরকারের আমলে এমন ঘটনা কখনো ঘটেনি। পাকিস্তানে আইয়ুবী জমানায় বিচারপতি কায়ানী তীব্র ভাষায় আইয়ুবের “মৌলিক গণতন্ত্রী” ব্যবস্থার সমালোচনা করেছেন। সেই সমালোচনা অতিরঞ্জিত ছিল না এবং প্রধান বিচারপতির পদ থেকে অবসর গ্রহণের পর তিনি এই সমালোচনা করেছেন। পদে থাকাকালীন অবস্থায় করেননি। তিনি তাঁর পদের ‘ডেকোরাম’ রক্ষা করে চলেছেন।

দেশে সুশাসন নেই, আইনের শাসন নেই। মানবিক অধিকার ও বাকস্বাধীনতা নেই প্রধান বিচারপতির “পর্যবেক্ষণে” (observation) উচ্চারিত একথাগুলোর মূল প্রচারক ড. কামাল হোসেন, ড. ইউনূস প্রমুখের নেতৃত্বাধীন একটি তথাকথিত সুশীল সমাজ এবং তাদের দু’টি বাংলা ও ইংরেজি মুখপত্র। জিয়াউর রহমানের স্বৈরাচারী শাসনামলে বিদেশে স্বেচ্ছা নির্বাসনে থাকার সময়েও জোরেশোরে এসব কথা বলার সাহস দেখাননি ড. কামাল হোসেন। এরশাদের আমলে পুলিশ একবার তাকে গ্রেফতার করে চোখ বাঁধা অবস্থায় অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়ার পর তিনি দেশ ছেড়েছিলেন। বার বার তিনি ভয়ে দেশ ছেড়েছেন। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে গণআন্দোলনে গণবিরোধী সরকারগুলোর পতন হওয়ার পর ড. কামাল হোসেন স্থায়ীভাবে দেশে ফিরেছেন এবং বুক ফুলিয়ে হাসিনা সরকারের আমলে সুশাসন নেই, আইনের শাসন নেই বলে প্রচার চালাচ্ছেন। তাকে আর দেশ ছেড়ে পালাতে হচ্ছে না। তবু প্রচার চালাচ্ছেন। দেশে সুশাসন, আইনের শাসন নেই।

এই জেগে ঘুমানোর রাজনীতি এখন দেশে অনেকেই করছেন। বাংলাদেশে সরকারি দলের ক্ষমতার অপব্যবহার এবং কোনো কোনো বিরোধী জোটের অগণতান্ত্রিক পথে সরকার উচ্ছেদের চক্রান্ত এ দুটোই রোধে বিচার বিভাগের একটা বিরাট দায়িত্বপালনের ভূমিকা রয়েছে। ভারতে ক্ষমতার অপব্যবহারের জন্য আদালত তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর বিরুদ্ধে রায় দিয়েছেন, কিন্তু তার শাসনকালে ভারতে অরাজক অবস্থা বিরাজ করছিল বলে বিরোধী দলগুলো যে প্রচার চালিয়েছিল, তাকে আমল দেননি। ইউরোপের বহু দেশেই বিচার বিভাগ তার স্বাধীনতা অর্জন ও রক্ষার জন্য আইনি পন্থায় চেষ্টা করেছেন, এমনকি লড়াই করেছেন। কিন্তু কোনো রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়ে বিরোধী দলের প্রচার প্রোপাগান্ডায় সাহায্য জোগানো হতে পারে এমন কাজ করেননি।

আমি ষোড়শ সংশোধনী সংক্রান্ত রায়ের নয়, প্রধান বিচারপতির কয়েকটি পর্যবেক্ষণের মধ্যে একটিকে অত্যন্ত আপত্তিকর মনে করছি। এই একটি পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, এক ব্যক্তির দ্বারা দেশ স্বাধীন হয়নি, এটি ক্যান্টনমেন্টে জন্ম নেওয়া দল বিএনপির স্লোগান। বঙ্গবন্ধুকে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করার পর (যার পেছনে বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানেরও যোগাযোগ থাকার অভিযোগ রয়েছে) বিএনপি এবং দেশের স্বাধীনতাবিরোধী দলগুলো বঙ্গবন্ধুর নামনিশানা মুছে ফেলার জন্য এই স্লোগান তুলেছিল। তাদের আরো একটি উদ্দেশ্য ছিল, দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করা এবং এই যুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্ব অস্বীকার করে জিয়াউর রহমানের মতো তত্কালীন এক মেজরকে এবং পরবর্তীকালের এক খলনায়ককে স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা।

এই অপপ্রচারটি ধোপে টেকেনি। সারা বিশ্বের কাছে বঙ্গবন্ধু এখন বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্থপতি এবং জাতির জনক (Founding Father)। বাংলাদেশেও এখন তাঁর এই পরিচিতি স্বীকৃত। এই সময় এই মীমাংসিত বিষয়টি নিয়ে আবার বিতর্ক তোলা এবং স্বাধীনতা বিরোধীদের প্রচারণার পালে হাওয়া দেওয়া কি কারো পক্ষেই সুবিবেচনার কাজ? আর ষোড়শ সংশোধনীর সঙ্গে দেশ কে স্বাধীন করেছে এই বিষয়টির সম্পর্ক কোথায়? হরিনাম করার নামে ভূতকে প্রণামের কোনো অর্থ হয় কি?

প্রধান বিচারপতিকে অত্যন্ত শ্রদ্ধা করি বলেই তাঁর কলম থেকে স্বাধীনতার স্থপতি সম্পর্কে এই ইঙ্গিতমূলক বক্তব্যটি বেরিয়ে আসতে দেখে অত্যন্ত আহত হয়েছি। আহত হয়েছেন দেশের অনেকেই। তারা প্রধান বিচারপতির পর্যবেক্ষণকে অপ্রাসঙ্গিক বলেও মন্তব্য করেছেন। কোনো দেশই এক ব্যক্তির দ্বারা স্বাধীন হয়নি, কিন্তু একটি সবল একক নেতৃত্বের প্রয়োজন হয়েছে। যিনি এই নেতৃত্বটি দেন, তাকেই বলা হয় স্বাধীনতার স্থপতি, জাতির জনক। আরো অনেক নেতা এই নেতৃত্বের অধীনে যুদ্ধে অংশ নেন, কিন্তু যুদ্ধ জয়ের শিরোপাটি পান মূল নেতা। এটা একটা রূপক অভিধা। এটা নিয়ে কোনো দেশেই প্রশ্ন তোলা হয় না।

মহাত্মা গান্ধীকে বলা হয় ভারতের স্বাধীনতার স্থপতি, জাতির জনক, তিনি কি এই স্বাধীনতার যুদ্ধ শুরু করেছিলেন, না তাতে একা নেতৃত্ব দিয়েছিলেন? অনেকে বলেন, ভারতের স্বাধীনতার পেছনে মহাত্মা গান্ধীর চাইতেও বড় অবদান রয়েছে নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু এবং তার আজাদ হিন্দ ফৌজের। তবু ভারতের স্বাধীনতা লাভের সব কৃতিত্ব দেওয়া হয় মহাত্মা গান্ধীকে। ভারতের সুপ্রিম কোর্টের দেয়ালে বিচারপতিদের মাথার উপরে একমাত্র মহাত্মা গান্ধীরই ছবি টানানো রয়েছে। এদিক থেকে বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা আরো অনন্য। তিনি গান্ধীর মতো চলমান স্বাধীনতার যুদ্ধে নেতৃত্ব দেননি। নিজে প্রথম স্বাধীনতার ডাক দিয়েছেন এবং স্বাধীনতার যুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

উপমহাদেশের তিন নেতার মধ্যে কোনো তুলনা করছি না। আমার কথা, মহাত্মা গান্ধীর লক্ষ্য ছিল ভারতে রামরাজত্বের প্রতিষ্ঠা। মোহাম্মদ আলী জিন্নার লক্ষ্য ছিল উপমহাদেশে মুসলমানদের জন্য একটি হোমল্যান্ড প্রতিষ্ঠা। আর শেখ মুজিবুর রহমান চেয়েছিলেন একটি সোশ্যাল ডেমোক্রেসি ভিত্তিক অসাম্প্রদায়িক নেশন স্টেটের প্রতিষ্ঠা করতে। এদিক থেকেও উপমহাদেশে তাঁর ভূমিকা অনন্য। আরো একটি উদাহরণ দেই। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধে নাৎসি জার্মানির হামলা থেকে ব্রিটেনকে রক্ষা করার জন্য চার্চিলকে বলা হয়েছিল সেভিয়ার অব দ্য নেশন (জাতির ত্রাণকর্তা)। কিন্তু ব্রিটেনকে রক্ষা করার জন্য যে কোয়ালিশন সরকার গঠন করা হয়েছিল তাতে লেবার, লিবারেল দলও ছিল। লেবার পার্টির নেতা এটলি ছিলেন ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী।

সুতরাং প্রশ্ন উঠেছিল, চার্চিল একা কী করে জাতির ত্রাণকর্তা হন? এই প্রশ্নটির মীমাংসা করেন লেবার পার্টির নেতা ক্লিমেন্ট এটলি নিজে। তিনি বলেন, “চার্চিলই সেভিয়ার অব দ্য নেশন, তার নির্দেশ এবং নেতৃত্বেই আমরা যুদ্ধ করেছি।” শুধু একথা বলা নয়, তিনি চার্চিলের টোরি দলের প্রতিপক্ষ লেবার দলের নেতা হওয়া সত্ত্বেও চার্চিলের জন্মদিনের সভায় ফুল নিয়ে উপস্থিত হয়ে তাকে শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেছিলেন, “আমি সিজারকে হত্যা করতে আসিনি। আমি তাকে শ্রদ্ধা জানাতে এসেছি।” এটলি  চার্চিলকে রোমের জুলিয়াস সিজারের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। বাংলাদেশের জুলিয়াস সিজার শেখ মুজিবুর রহমানকে এই শ্রদ্ধাটি তো সকলের জানানো উচিত।

দশচক্রে যে ভগবান ভূত হয় সে কথা শুরুতেই উল্লেখ করেছি। আমার ধারণা, আমাদের মাননীয় প্রধান বিচারপতিকেও পুরনো দশচক্রটি ঘিরতে চাইছে। এই চক্রের একটি চক্র ঢাকায় দু’টি তথাকথিত নিরপেক্ষ ইংরেজি ও বাংলা মিডিয়া। এরা যাকেই সমর্থনদানের নামে ঘিরে ফেলে তারা সমাজের যতই উঁচু স্তরের মানুষ হন, পরিণামে বিস্মৃতির আড়ালে তলিয়ে যান। ইতিহাসে যাদের নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকার কথা কালো অক্ষরেও তাদের নাম খুঁজে পাওয়া যায় না।

কোথায় আজ সাবেক রাষ্ট্রপতি বিচারপতি সাহাবুদ্দীন? কোথায় গেলেন সদ্যপ্রয়াত বিচারপতি লতিফুর রহমান ওরফে শান্তি মিয়া? শুধু একজন বিচারপতি হিসেবে নয়, দেশের একজন বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী হিসেবে যিনি মানুষের মনে শ্রদ্ধার আসনে বসেছিলেন, এই দুই পত্রিকার পাল্লায় পড়ে সেই বিচারপতি হাবিবুর রহমানকে আজ কে স্মরণ করে? ড. কামাল হোসেন, ড. ইউনূসের কথা আর নাই তুললাম। নোবেল পুরস্কার অর্জন করেও ড. ইউনূসের এখন দেশের মাটিতে ঠাঁই নেই। তিনি এখন উড়ন্ত বিমানে দুরন্ত ব্যবসায়ী। মাননীয় প্রধান বিচারপতিকে এই দু’টি মিডিয়ার “অতি ভক্তি” সম্পর্কে সাবধান থাকার বিনীত অনুরোধ জানাই।

বঙ্গবন্ধু মর্মান্তিক মৃত্যুর পরেও বেঁচে আছেন। বেঁচে থাকবেন। জাতির জীবনে তাঁর অনন্য ব্যক্তিত্বের ছাপ দিন দিন আরো প্রতিষ্ঠা পাবে। যারা তাঁকে ছোট করতে চাইবেন, তারা নিজেরা শুধু ছোট হবেন না ইতিহাস তাদের চিরদিনের জন্য বিস্মৃতির অন্ধকারে ঠেলে দেবে। – ইত্তেফাক

লন্ডন ১২ আগস্ট, শনিবার, ২০১৭

 

খবরটি শেয়ার করুন

Post Comment