৩৮তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা আজ

অনলাইন ডেস্ক –

৩৮তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা আজ শুক্রবার। সকাল ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত দুইশো নম্বরের এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এতে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) ইতিহাসে সর্বাধিক সংখ্যক পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে।

এই পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। অনিয়ম রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে প্রতিটি কেন্দ্রে দুটি করে মেটাল ডিটেক্টর থাকবে। নারী পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে প্রবেশে সহায়তায় থাকবে নারী পুলিশ সদস্য।

ইতিমধ্যে পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোন, সব ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস, বই-পুস্তক, ক্যালকুলেটর এবং ব্যাগ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নিষিদ্ধ জিনিসপত্র পাওয়া গেলে পিএসসি অধীনে অনুষ্ঠিত সব পরীক্ষায় তাকে অযোগ্য ঘোষণা করা হবে। বিসিএস পরীক্ষার সময় হাতঘড়ি, পকেট ঘড়ি, ইলেকট্রনিক ঘড়ি ব্যবহার নিষিদ্ধ থাকবে। সময় জানানোর জন্য পরীক্ষা কক্ষে প্রয়োজনীয় সংখ্যক দেয়াল ঘড়ির ব্যবস্থা থাকবে।

এর আগে ৩৭তম বিসিএসে অংশ নেন দুই লাখ ৪৩ হাজার ৪৭৬ জন।

এ বছর ৩৮তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন তিন লাখ ৪৬ হাজার ৫৩২ জন। সব বিভাগীয় শহরে এসব প্রার্থীর পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এরমধ্যে ঢাকায় ১৬২ কেন্দ্রে পরীক্ষা নেয়া হবে। রাজশাহীতে ২৯টি, চট্টগ্রামে ২৪টি, খুলনায় ১৫টি, বরিশালে ৭টি, খুলনায় ১১টি, রংপুরে ১৬টি এবং ময়মনসিংহে ১৯ কেন্দ্রে পরীক্ষা নেয়া হবে।

দুই ঘণ্টার এই পরীক্ষায় ২০০ নম্বর থাকছে। প্রত্যেক দু’টি ভুল উত্তরের জন্য কাটা হবে এক নম্বর। ১০টায় পরীক্ষা শুরু হলেও পরীক্ষার্থীদেরকে উত্তরপত্রের ওএমআর ফরম দেয়া হবে সাড়ে ৯টায়।

এ কারণে সাড়ে ৮টা থেকে ৯টা ২৫ মিনিটের মধ্যে তাদেরকে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে বলা হয়েছে। ক্যাডার সার্ভিসের প্রথম শ্রেণির দুই হাজার ২৪টি পদে ৩৮তম বিসিএস থেকে নিয়োগ করা হবে।

এরমধ্যে প্রশাসন ক্যাডারে ৩০০, পুলিশ ক্যাডারের ১০০টি পদসহ সাধারণ ক্যাডারে ৫২০টি পদ। কারিগরি ও পেশাগত ক্যাডারে ৫৪৯টি এবং শিক্ষা ক্যাডারে ৯৫৫টি পদ থাকছে।

বর্তমানে সারাদেশে সবচেয়ে বড় আতঙ্কের বিষয়ে পরিণত হয়েছে প্রশ্নফাঁস। সেটি বিবেচনায় রেখে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পিএসসি চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিক বলেন, পিএসসি জনগণের প্রতিষ্ঠান। জনপ্রশাসনে মেধাবী কর্মকর্তা নিয়োগে মূল কাজটি করে এই প্রতিষ্ঠান। সেটি মাথায় রেখেই আমরা সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে পরীক্ষা আয়োজনের ব্যবস্থা নিয়ে থাকি।

তিনি জানান, ৩৮তম বিসিএসে যাতে কোনো ধরনের অসদুপায় অবলম্বন কেউ করতে না পারে বা প্রশ্নপত্র সুরক্ষিত থাকে সেজন্য সবধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

খবরটি শেয়ার করুন

Post Comment