দুই বোনকে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের প্রতিবাদে মানব বন্ধন

৩০ জানুয়ারি ২০১৮
প্রেস বিজ্ঞপ্তি –

রাঙ্গামাটি জেলার বিলাইছড়ি উপজেলার ফারুয়া ইউনিয়নে সেনাবাহিনী কর্তৃক দুই বোনকে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নকারী সেনা সদস্যদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে যৌথভাবে মানব বন্ধন করেছে হিল উইমেন্স ফেডারেশন (এইচডব্লিউএফ), ঘিলাছড়ি নারী নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম নারী সংঘ।

আজ ৩০ জানুয়ারি ২০১৮, মঙ্গলবার, দুপুর সাড়ে ১২টায় রাঙ্গামাটি শহরের জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মুখে প্রায় আধা ঘন্টা ব্যাপী এ প্রতিবাদী মানব বন্ধন কর্মসূচী চলে। এসময় বক্তব্য রাখেন পার্বত্য চট্টগ্রাম নারী সংঘের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক কাজলী ত্রিপুরা, হিল উইমেন্স ফেডারেশ রাঙ্গামাটি জেলা সাধারণ সম্পাদক দয়াসোনা চাকমা, ঘিলাছড়ি নারী নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি শান্তি প্রভা চাকমা।

বক্তারা বলেন, বিলাইছড়ির নারী ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের ঘটনা ধামাচাপা দিতে বিশেষ একটি গোষ্ঠী তৎপর হয়ে উঠেছে। অতীতের মতো অভিযুক্ত সেনা সদস্যদের রক্ষা করার ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের সচেতন মানুষ তা কখনো মেনে নেবে না বলে বক্তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

দেশের সেনাবাহিনী পার্বত্য চট্টগ্রামে যা করছে তা তৎকালীন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর কার্যকলাপকেও হার মানায় উল্লেখ করে বক্তারা আরো বলেন, সেনাবাহিনী পার্বত্য চট্টগ্রামে এক আতঙ্কের নাম। তাঁদের কাছে নারী পুরুষ কেউ নিরপদ নয়। তথাকথিত শান্তি সম্প্রীতি উন্নয়নের বাহারি স্লোগান তুলে তাঁরা পুরুষদের অস্ত্র গুঁজে দেয়, সন্ত্রাসী বানায় এবং জেলে নিক্ষেপ করে অন্যদিকে নারীদেরকে ধর্ষণ করে পাঠিয়ে দেয় হাসপাতালে।

উল্লেখ্য, গত ২২ জানুয়ারি গভীর রাতে ফারুয়া ইউনিয়নের স্থানীয় ফারুয়া সেনা ক্যাম্প থেকে ওয়ারেন্ট অফিসার মিজান এর নেতৃত্বে একদল সেনাবাহিনী এলাকায় সন্ত্রাসী খোঁজার নামে দুর্গম অরাছড়ি গ্রামে অভিযান চালায়। এসময় সেনারা তল্লাসীর নামে ভিক্টিমদের বাড়িতে প্রবেশ করে। এরপর একই পরিবারের বড় বোনকে (১৮) ধর্ষণ ও ছোট বোনকে (১৩) যৌন নিপীড়ন চালায়।

বার্তা প্রেরক –

রেনসা চাকমা
দপ্তর সম্পাদক
হিল উইমেন্স ফেডারেশন
রাঙ্গামাটি জেলা শাখা।

খবরটি শেয়ার করুন

Post Comment