সেনা কর্তৃক চাকমা রাণী লাঞ্ছিত, ক্ষমা চাইতে হবে–ইউপিডিএফ

১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

প্রেস বিজ্ঞপ্তি –

ইউনাইটেড পিপলস্ ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ)-এর সভাপতি প্রসিত বিকাশ খীসা ও সাধারণ সম্পাদক রবি শংকর চাকমা আজ ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ শুক্রবার সংবাদ মাধ্যমে দেয়া এক বিবৃতিতে সেনা কর্তৃক চাকমা রাণী ইয়েন ইয়েনকে লাঞ্ছিত করা ও বন্দুকের নলের মুখে রাঙ্গামাটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার শিকার দুই মারমা বোনকে তুলে-নেয়ার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছেন।

এ ন্যাক্কারজনক ঘটনাকে সভ্য সমাজের কলঙ্ক ও কোন অবস্থাতেই মেনে নেয়া যায় না মন্তব্য করে নেতৃদ্বয় বলেন, সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে চাকমা রাণীর নিকট অবশ্যই ক্ষমা চাইতে হবে এবং দোষী সেনা সদস্যদের অবিলম্বে আইনের আওতায় আনতে হবে।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে ইউপিডিএফ নেতৃদ্বয় বিবৃতিতে বলেন, ‘গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে সেনা-পুলিশ-বিজিবির একটি যৌথ দল রাঙ্গামাটি হাসপাতালে প্রবেশ করে যৌন নিগৃহীত দুই বোনের সেবায় নিয়োজিত স্বেচ্ছাসেবকদের মারধর করে একটি রুমে আটকে রাখে এবং সেখানে অবস্থানরত চাকমা সার্কেলের রাণী ইয়েন ইয়েনকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। তারা হাসপাতালের বাতি নিভিয়ে ধর্ষিত দুই বোনকে তুলে নিয়ে যায়। উল্লেখ্য, চাকমা রাণী ধর্ষিতাদের চিকিৎসার তত্ত্বাবধানের পাশাপাশি মানসিক শক্তি যুগিয়ে আসছিলেন, সেনাচক্রের নিকট এটাই তার ওপর ক্ষোভের কারণ।’

ইউপিডিএফ নেতৃদ্বয় যুক্ত বিবৃতিতে আরও বলেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামে ফৌজি অপশাসনের দোর্দণ্ড প্রতাপ ও অন্যায় কর্তৃত্ব এতটা ছাড়িয়ে গেছে যে তারা চাকমা সার্কেলের রাণীর মতো ব্যক্তিকেও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করতে পরোয়া করছে না। বিলাইছড়ির সাধারণ মারমা তরুণীরা তাদের কাছে মানুষ বলে পরিগণিত নয়, তা পাকিস্তানিমনা সেনারা উলঙ্গভাবে প্রমাণ করে দিয়েছে। সেনাবাহিনীর পাকিস্তানিমনা অংশটির এ ধরনের অপকর্মে দুর্নীতিগ্রস্ত শাসকগোষ্ঠী বরাবর ইন্ধন যুগিয়ে আসছে, এদের নিষ্ঠুর দমন-পীড়ন থেকে বাঁচতে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলন গড়ে তোলা ছাড়া অন্য কোন বিকল্প নেই বলে তারা মন্তব্য করেন।

বার্তা প্রেরক –

(নিরন চাকমা)
প্রচার ও প্রকাশনা বিভাগ
ইউপিডিএফ।

খবরটি শেয়ার করুন

Post Comment