খাগড়াছড়িতে ধর্ষণের ঘটনায় হিল উইমেন্স ফেডারেশনের নিন্দা ও প্রতিবাদ

২৩ জুন ২০১৮
প্রেসবিজ্ঞপ্তি –

হিল উইমেন্স ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি নিরূপা চাকমা ও সাধারণ সম্পাদক মন্টি চাকমা আজ শনিবার (২৩ জুন ২০১৮) সংবাদ মাধ্যমে প্রদত্ত এক বিবৃতিতে গত ২১ জুন দিন-দুপুরে খাগড়াছড়ি জেলা সদরের পার্বত্য জেলা পরিষদ পার্কে একদল সেটলার বাঙালি কর্তৃক এক ত্রিপুরা কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে সেটলার কর্তৃক পাহাড়ি নারী ধর্ষণ নিত্য নৈমিত্তিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোন জায়গায় পাহাড়ি নারীরা আর নিরাপদ নয়। গত ১৭ জুন বান্দরবানের লামায় নিজ বাসায় ম্যাহ্লাউ মার্মা নামে এক তরুণীকে ধর্ষণের পর হত্যা ও এর আগে ১৮ মে সীতাকুণ্ডে দুই ত্রিপুরা কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনা ঘটেছে।

পার্বত্য চট্টগ্রামে সংঘটিত নারী নির্যাতন, ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় বিচার না হওয়ায় এ ধরনের ঘটনা বাড়ছে উল্লেখ করে নেতৃদ্বয় বলেন,কল্পনা চাকমা অপহরণ থেকে শুরু করে পার্বত্য চট্টগ্রামে যতগুলো খুন, ধর্ষণ, অপহরণের ঘটনা ঘটেছে তার কোনটারই সুষ্ঠু বিচার হয়নি। এমনকি অপরাধীরা প্রশাসনের নাকের ডগায় প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করলেও তাদের আইনের আওতায় আনা হয়নি। ফলে অপরাধীরা পার পেয়ে খুন, ধর্ষণের মতো নৃশংস ঘটনা সংঘটিত করার সাহস পাচ্ছে।

জেলা পরিষদ পার্ক-এর মতো একটি জায়গায় দিন-দুপুরে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা পার্কের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে মন্তব্য করে নেতৃদ্বয় বলেন, সেখানে প্রায় সময়ই নারীরা নানা হেনস্থা-নির্যাতনের শিকার হওয়ার অভিযোগ থাকার পরও পার্ক কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তামূলক পদক্ষেপ না নেয়ায় এই বর্বর ঘটনা ঘটেছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে ইচ্ছেমত পর্যটন স্পট তৈরি করে ধর্ষকদের অভয়ারণ্যে পরিণত করা হয়েছে বলেও নেতৃদ্বয় অভিযোগ করেন।

বিবৃতিতে তারা অবিলম্বে ত্রিপুরা কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত সকল দুর্বৃত্তকে গ্রেফতারপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

বার্তা প্রেরক

(নীতি শোভা চাকমা)
দপ্তর সম্পাদক
হিল উইমেন্স ফেডারেশন
কেন্দ্রীয় কমিটি।

খবরটি শেয়ার করুন

Post Comment